![]() |
| Advertisement |
চাকরি নয় স্বাধীন ভাবে বাঁচতে চাই।সে বড় একটি কাহিনী --সময় থাকলে একটু লেখাটি পরে যান।
ছোট বেলা থেকে মোটামুটি ভাবেই মানুষ হয়েছিলাম কিন্তু কষ্ট পাইনি বাবা-মা কাজ থেকে। আমারা চার ভাই -বোন জম্মের আগে আমাদের অনেক কষ্টে জীবন
চালিয়েছে তারা।কিন্তু কষ্ট ভোক আল্লাহ তালা এক রহমতে আমাদের পরিবার উন্নতি হতে লাগলো। বড় ভাই টি ৫ম শ্রেনী পযন্ত পরে আর পরে নাই।
বাবা অনেক চেষ্টা করে ছিলো কিন্তু হয়নি, আর ছোট দুই বোন আমি মেজে ছেলে। বড় বোনটি ৯ম শ্রেণী পড়া অবস্থায় বিয়ে হয়ে যায়, তার পরে ছোট বোন টি h.s.c পাশ করে তার পরে বিয়ে হয়ে যায়।সব মিলে ভালোই চলছিলো। আমি বি,বি,এ পাস করি এবং বেকার গুরে বেড়াতে থাকি কিছু দিন বড় বোনাইয়ে দোকানে লোক লাগবে আমাকে জোড় করে নিয়ে যায়।তার ফাঁকে ফাঁকে চাকরি আবেদন করছি।
আল্লাহর রহমতে বয়স চলছে,হঠাৎ একদিন একটি মেয়ের সাথে মোবাইলে কথা হয় এই করে অনেক দিন কথা বলছি।পেড়ায় ৮-৯মাস কথা চলছে এক পর্যায় মেয়ে বিয়ে ঠিক হয়ে যাবে তা কথা চলছে। আমার বিষয় টি বাড়ি থেকে আগেই যানে সবাই তার পরে ও বাসায় যানালাম বাবা মা বললো তাহলে মেয়ে আসলে নিয়ে আসো এবং কোট মেরেজ করলে ভালো হয়।
এটি শুনে মেয়ে টি বললাম এই এই কথা চলছে তুমি কবে আসবে। ২ -৩ তিনদিন পরে চলে আসলো এবং বিয়ে হলো।আত্মীয় দাওয়াত দিলাম খাওয়া দাওয়া অনেক ভালো হয়।সম্পূর্ণ আমার নিজের খরচে চালাই সব কিছু। কিন্তু দুঃখের একটি কথা, মা-বাবা ভাই বোন কেউ আমাদের কোন প্ররকার বরন ও কিছু দিলোনা।যাহাহি হো নিজে বিয়ে করেছি তাই কিছু মনে করি নাই।
তবে মা বাবা বাকি তিন ছেলে -মেয়েকে সব কিছু দিয়েছিলো কোনটায় কমতি রাখে নাই তারা। তার পরে ও আল্লাহর রহমতে আমার বউকে আচ্ছে আচ্ছে সব গুছিয়ে দিয়েছি কোন কমতি রাখি নাই।
আমার বউকে বললাম মানিয়ে নেওয় আল্লাহর রহমতে সব ঠিক হয়ে যাবে।
আল্লাহর রহমতে দিন ভালোই চলছিলো। হঠাৎ একদিন আমার বড় মামা ফোন করল,সে বললো মন্ত্রনলায় একটি চাকরি নিয়োগ দিয়েছিল তুমি দরখাস্ত করো।
আমার বন্ধু চাকরি দিয়েদিবে। তার কথা শুনে মা-বাবা কে বললাম তারা বললো হে চাকরি আবেদন করো টাকা মেনেজ করবানি।
তাদের ভরসায় আমি এপ্লাই করলাম। আমার নিজের ২-৩ লক্ষ টাকার মেনেজ ছিলো।
হঠাৎ মামা বললো ঢাকা যেতে হবে,তার পরে চললাম গিয়ে অনেকের কাজ পাতির কাজ কম্পিট করলাম। আল্লাহর রহমতে চাকরির ৯০% কমপ্লিট করে বাড়ি আসলাম।
৬০ হাজার বেশি খরচ হয়েগিয়েছিল সব আমার নিজের টাকাই ছিলো। এখন টাকার মেনেজের সময়। আল্লাহর রহমতে যে চকরি তাহা ১৫ লাখ টাকা ও হবে না তবে আল্লাহ ও নিচে মামার বন্ধু আবেদনে ৭ লক্ষ টাকা চাকরি হবে।এক মাস পরে টাকা দিতে হবে।
হঠাৎ বড় ভাই, বড় বোনের বাড়ি চলে গেলো,সেখানে ছোট বোন কে ও খবর দিলো। সেই খানে বসে তারা মিটিং করলো
আমাকে চাকরি জন্য টাকা দিলে তাদের কে ও ভাগের ভাগ জমি লিখে দিতে হবে তাদের তিনজনে।
বাবাকে খবর দিলো তাকে ডেকে বললো, বাবা সেখানে কোন কথা না বলে চলে আসলো। তাহার তো অনেক কথা ছিলো সে তো বলতে পারতো আমার জমি কাকে কি দিবো,না দিবো সেটি আমি বুঝবো,তিনি কোন কথা বলেন নি।
বাড়িতে এসে বাবা মাকে বললো তোমার তিন ছেলে মেয়ে এই কথা বলছে। কথা টা আমি শুনতে পেলাম, তখন মনে মনে ভাবলাম ভাই -বোনূের সবাই কে অনেক ভালবাসি বিপদে আপদে সব আগ ধারায় কিন্তু তারা এ কথা গুলো বলতে পারলো।
অনেক কষ্ট লাগলো তা বাবাকে ডেকে বলাম আমার চাকরির জন্য কোন টাকা মেনেজ করতে হবে না।আমি চাকরি করবো না যা আমার খরচ হয়েছে মনে করবো আমার একটি এক্সিডেন হয়েছে এ বলে কাদতে কাদতে চলে আসলাম।বাবা আর কোন কথা বললেন না মামাক ফোন দিয়ে কথা গুলো বললাম তাকে আর বললাম আমি চাকরি করবো না।চাকরি আমার কপালে ছিলো কিন্তু ভাই -বোন হতে দিলো না এই বলে ফোন কেটে দিলাম।
ভাছতোপ বড় কঠিন ভাই। লেখা পড়া শেষ করে এখন আমি জমিতে কাজ করি।
ভাই জীবনে বাচতে হলে কিছু অথ আয় করুন।নিজের টাকা তাকলে পৃথিবীতে আপনি যাহা বলবেন তাহাই হব্্্্্্্
বাবার আছে কোটি টাকা বেশি সম্পদের কি হবে কৃষি কাজ ও কৃষান দিয়ে জীবন চালাই, ছোট বেলায় লেখা পড়া না শিখিয়ে জমিতে কাজ করালে ভবিষ্যতে অনেক ভালো থাকতাম ভাই। অনেক কষ্ট হয় তবুও কাজ করি আপনারা আমার অন্য দোয়া করবেন।



0 Comments: