Videos

শনিবার, ২০ মে, ২০২৩

শাজাহান ও মমতাজ এর ভালোভাসার কাহিনি সকল বিস্তারিত

শাজাহান ও মমতাজ 

শাহজাহান এবং মমতাজ মহলের প্রেমকাহিনী ইতিহাসের অন্যতম কিংবদন্তি কাহিনী।  1628 থেকে 1658 সাল পর্যন্ত ভারতের মুঘল সম্রাট শাহজাহান এবং তার প্রিয়তমা স্ত্রী মুমতাজ মহল একটি বন্ধন ভাগ করে নিয়েছিলেন যা শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে হৃদয়কে মুগ্ধ করেছে।

শাহজাহান আরজুমান্দ বানু বেগমের গভীর প্রেমে পড়েছিলেন, যিনি পরে মমতাজ মহল নামে পরিচিত হন।  তারা তাদের যৌবনে মিলিত হয়েছিল এবং একটি তাত্ক্ষণিক সংযোগ তৈরি করেছিল।  মমতাজ মহল তার সৌন্দর্য, বুদ্ধিমত্তা এবং করুণার জন্য বিখ্যাত ছিল।  তিনি সম্রাটের প্রিয় স্ত্রী হয়ে ওঠেন, এবং তাদের ভালবাসা প্রতিটি ক্ষণস্থায়ী দিনের সাথে আরও শক্তিশালী হতে থাকে।

মমতাজ মহল তার শাসনামলে শাহজাহানের পাশে দাঁড়ান, তাকে নির্দেশনা ও সমর্থন প্রদান করেন।  তিনি তার আনুগত্য এবং ভক্তি প্রদর্শন করে তার সামরিক অভিযান এবং রাজনৈতিক যাত্রায় তার সাথে ছিলেন।  কথিত আছে যে শাহজাহান তার মতামতকে অনেক মূল্য দিতেন এবং তাকে তার বিশ্বস্ত আস্থাভাজন হিসেবে বিবেচনা করতেন।

1631 সালে মমতাজ মহল তাদের 14 তম সন্তানের জন্ম দেওয়ার সময় মারা গেলে মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে।  শাহজাহান তার অকাল মৃত্যুতে বিধ্বস্ত হয়েছিলেন এবং তাকে ছাড়া তার পৃথিবী ভেঙে পড়েছিল।  তাদের ভালবাসাকে অমর করে রাখার জন্য, তিনি ভারতের আগ্রায় তাজমহল, একটি দুর্দান্ত মার্বেল সমাধি নির্মাণের দায়িত্ব দিয়েছিলেন।

তাজমহল নির্মাণ শেষ হতে 20 বছরেরও বেশি সময় লেগেছিল, হাজার হাজার কারিগর এবং কারিগর নিযুক্ত হয়েছিল।  এটি একটি স্থাপত্য বিস্ময় এবং চিরন্তন প্রেমের প্রতীক হিসাবে দাঁড়িয়েছে।  সাদা মার্বেল কাঠামো, জটিল খোদাই এবং মূল্যবান রত্নপাথর দ্বারা সজ্জিত, মমতাজ মহল এবং শাহজাহানের সমাধি রয়েছে।

মমতাজ মহলের প্রতি শাহজাহানের ভালোবাসা তাজমহলের অপূর্ব সৌন্দর্য ও মহিমায় স্পষ্ট।  কাঠামোটি তাদের চিরস্থায়ী বন্ধনের একটি প্রমাণ এবং তার ক্ষতির জন্য তার দুঃখের গভীরতার প্রতিনিধিত্ব করে।  তাজমহল তখন থেকে একটি আইকনিক ল্যান্ডমার্ক এবং একটি ইউনেস্কো ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ সাইট হয়ে উঠেছে, যা সারা বিশ্ব থেকে লক্ষ লক্ষ দর্শকদের আকর্ষণ করে যারা শাহজাহান এবং মুমতাজ মহলের শাশ্বত প্রেমের গল্পের সাক্ষী হতে আসে।

তাদের প্রেমের গল্প কবি, লেখক এবং শিল্পীদের অনুপ্রাণিত করেছে এবং সারা বিশ্ব জুড়ে মানুষের কল্পনাকে ধরে রেখেছে।  শাহজাহান এবং মমতাজ মহলের গল্প একটি অনুস্মারক হিসাবে কাজ করে যে প্রেমের কোন সীমা নেই এবং এটি সময় এমনকি মৃত্যুকেও অতিক্রম করতে পারে

শুক্রবার, ২৪ মার্চ, ২০২৩

ঝালকাঠিতে বিআরটিসি বাস নিয়ন্ত্রন হারিয়ে নিহত-২

 

ঝালকাঠিতে বিআরটিসি বাস নিয়ন্ত্রন হারিয়ে নিহত-২

মোঃ রায়হান জোমাদ্দার

স্টাফ রিপোর্টার


ঝালকাঠিতে বিআরটিসি বাস নিয়ন্ত্রন হারিয়ে বৈদ্যুতিক খুটি ও গাছের সাথে ধাক্কা লেগে খাদে; সুপার ভাইজারসহ নিহত ২ আহত ১৯


ঝালকাঠির রাজাপুরে বিআরটিসি বাস নিয়ন্ত্রন হারিয়ে বৈদ্যুতিক খুটি ও গাছের সাথে ধাক্কা লেগে খাদে পড়ে সুপার ভাইজারসহ নিহত ২ নিহত হয়েছে। এ ঘটনায় বাসের অন্তত ১৯ আহত হয়েছে এবং আধা ঘন্টা যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।


শুক্রবার সকাল  ১০ টার দিকে বরিশাল-পাথরঘাটা আঞ্চলিক মহাসড়কের উপজেলার কানুদাশকাঠি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। তাৎক্ষনিক নিহতদের পরিচয় জানাতে পারেনি পুলিশ। আহতদের পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস উদ্ধার করে ভান্ডারিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেছেন। পুলিশ ও আহতরা বাস যাত্রীরা জানান, বরিশাল থেকে যাত্রী নিয়ে পাথরঘাটার উদ্দেশ্যে সকালে যাত্রা শুরু করে। বাস ছাড়ার পর থেকে চালক ও হেলপার সুপরভাইজারদের মধ্যে বাকবিতন্ডা হয়ে কয়েক দফায়। এ কারনে চালক বেপরোয়া গতিতে গাড়িটি চালাচ্ছিলেন। ঘটনাস্থলে বাসটি এলে পথিমধ্যে নিয়ন্ত্রন হারিয়ে বৈদ্যুতিক খুটি ও গাছের সাথে ধাক্কা লেগে দুমড়ে মুচরে খাদে পড়ে যায়। রাজাপুর থানার ওসি পুলিক চন্দ্র রায় জানান, ঘটনাস্থলেই সুপার ভাইজার ও এক বাস যাত্রী নিহত হন এবং অন্তত ১২/১৫ জন যাত্রী আহত হন। দুর্ঘটনায় যান চলাচল বন্ধ হলে পুলিশ তাৎক্ষনিক যান চলাচলের ব্যবস্থা করা হয়। মরদেহ উদ্ধার পূর্বক এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।

শনিবার, ১৮ মার্চ, ২০২৩

বাংলাদেশ সুন্দরবন সম্পর্কে অজানা তথ্য

 

Bangladesh beautiful forest pictures

সুন্দরবন বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চল এবং ভারতের পূর্বাঞ্চলে অবস্থিত একটি ম্যানগ্রোভ বন ব-দ্বীপ।  এটি বিশ্বের বৃহত্তম সংলগ্ন ম্যানগ্রোভ বন, এবং একটি ইউনেস্কো ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ সাইট।  সুন্দরবনের বাংলাদেশী অংশ প্রায় ১০,০০০ বর্গ কিলোমিটার এলাকা জুড়ে, যেখানে ভারতীয় অংশ প্রায় ৪,০০০ বর্গ কিলোমিটার জুড়ে।  সুন্দরবন হল বিভিন্ন ধরনের উদ্ভিদ ও প্রাণীর আবাসস্থল এবং এটি তার আইকনিক বেঙ্গল বাঘের জনসংখ্যার জন্য পরিচিত।  এখানে বাংলাদেশ সুন্দরবন সম্পর্কে কিছু কম জানা তথ্য রয়েছে:

(1)।  সুন্দরবনের:

গঙ্গা, ব্রহ্মপুত্র ও মেঘনা নদীর পলি জমে সুন্দরবনের সৃষ্টি হয়েছে।  ক্ষয় ও পলি জমার পাশাপাশি ঘূর্ণিঝড় ও জোয়ার-ভাটার প্রভাবে বনের আকৃতি প্রতিনিয়ত পরিবর্তন হচ্ছে।

(২) সুন্দরবনের গুরুত্বঃ

ঘূর্ণিঝড় ও ঝড়ের মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগ থেকে বাংলাদেশকে রক্ষা করতে সুন্দরবন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।  ম্যানগ্রোভ গাছ শক্তিশালী তরঙ্গের বিরুদ্ধে প্রাকৃতিক প্রতিবন্ধক হিসেবে কাজ করে, যা এই ঘটনার ফলে সৃষ্ট ক্ষতি কমাতে সাহায্য করে।  সুন্দরবন মাছ ধরা, মধু সংগ্রহ এবং কাঠ কাটার মাধ্যমে বনের আশেপাশে বসবাসকারী লক্ষ লক্ষ মানুষের জীবিকাকেও সমর্থন করে।

Bangladesh beautiful forest pictures


(3)।  সমৃদ্ধ জীববৈচিত্র্য:

সুন্দরবনে ৫০টিরও বেশি প্রজাতির স্তন্যপায়ী প্রাণী, ৩০০ প্রজাতির পাখি এবং ১২০ প্রজাতির মাছ সহ বিভিন্ন ধরনের উদ্ভিদ ও প্রাণীর আবাসস্থল।  বেঙ্গল টাইগার ছাড়াও, সুন্দরবনে পাওয়া অন্যান্য আইকনিক প্রজাতির মধ্যে রয়েছে লবণাক্ত পানির কুমির, ভারতীয় অজগর এবং দাগযুক্ত হরিণ।

(4)।  বিপন্ন প্রজাতি:

সুন্দরবনে ইরাবদি ডলফিন, মোহনা কুমির এবং অলিভ রিডলি কচ্ছপ সহ বেশ কয়েকটি বিপন্ন প্রজাতির বাসস্থান।  সুন্দরবন এশিয়ান ডাউইচার এবং চামচ-বিল্ড স্যান্ডপাইপার সহ বিভিন্ন প্রজাতির পরিযায়ী পাখির জন্য গুরুত্বপূর্ণ আবাসস্থল সরবরাহ করে।

(5)।  উদ্ভিদ ও প্রাণীর অভিযোজন:

সুন্দরবনের উদ্ভিদ ও প্রাণী ম্যানগ্রোভ ইকোসিস্টেমের অনন্য পরিবেশগত অবস্থার সাথে খাপ খাইয়ে নিয়েছে।  উদাহরণস্বরূপ, ম্যানগ্রোভ গাছগুলি নিউমাটোফোর নামক বিশেষ শিকড় তৈরি করেছে, যা তাদের জলাবদ্ধ মাটিতে শ্বাস নিতে সাহায্য করে।  একইভাবে, বেঙ্গল টাইগার এবং মোহনা কুমিরের মতো প্রাণীরা এমন পরিবেশে বসবাসের জন্য মানিয়ে নিয়েছে যেখানে জলের স্তর জোয়ারের সাথে ওঠানামা করে।

Bangladesh beautiful forest pictures


(6)।  সুন্দরবনের ঐতিহ্যগত ব্যবহার:

সুন্দরবনে হাজার হাজার বছর ধরে মানুষ বসবাস করে আসছে এবং বন স্থানীয় সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে।  বনটি মাছ ধরা, মধু সংগ্রহ এবং কাঠ কাটা সহ বিভিন্ন উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত হয়।  অনেক সম্প্রদায় ঐতিহ্যগত ওষুধ এবং ভেষজ প্রতিকারের জন্যও সুন্দরবনের উপর নির্ভর করে।

(7)।  সুন্দরবনের জন্য হুমকি:

জলবায়ু পরিবর্তন, দূষণ এবং প্রাকৃতিক সম্পদের টেকসই ব্যবহার সহ সুন্দরবন বিভিন্ন ধরনের হুমকির সম্মুখীন।  সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি এবং ঘন ঘন ঘূর্ণিঝড় বনকে প্লাবিত হওয়ার ঝুঁকিতে ফেলেছে, যা এর উপর নির্ভরশীল মানুষ এবং বন্যপ্রাণীদের জন্য মারাত্মক পরিণতি হতে পারে।  শিল্প ও কৃষি কার্যক্রমের দূষণও একটি প্রধান উদ্বেগের বিষয়, কারণ এটি ম্যানগ্রোভ বনের সূক্ষ্ম বাস্তুতন্ত্রের ক্ষতি করতে পারে।

(8)।  সংরক্ষণ প্রচেষ্টা:

সুন্দরবন রক্ষায় বেশ কিছু সংরক্ষণের উদ্যোগ চলছে।  বাংলাদেশী সরকার বনের মধ্যে বেশ কিছু সংরক্ষিত এলাকা স্থাপন করেছে এবং বাস্তুতন্ত্র সংরক্ষণের জন্য বেশ কিছু বেসরকারি সংস্থাও কাজ করছে।  প্রচেষ্টাগুলি ব্যবস্থাপনা অনুশীলনের উন্নতি, মানব-বন্যপ্রাণী সংঘর্ষ হ্রাস এবং সুন্দরবনের গুরুত্ব সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধির উপর দৃষ্টি নিবদ্ধ করা হয়।

(9)।  সাংস্কৃতিক গুরুত্ব:

সুন্দরবন সাহিত্য, শিল্প ও সঙ্গীতের অনেক কাজের অনুপ্রেরণা।  বন..

Bangladesh beautiful forest pictures


★★★Bangladesh Sundarbans Facts★★★
★★★বাংলাদেশ সুন্দরবনের তথ্য★★★
এখানে বাংলাদেশের সুন্দরবন সম্পর্কে কিছু কম জানা তথ্য রয়েছে:

★ বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ বন: সুন্দরবন হল বিশ্বের বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ বন, প্রায় 10,000 বর্গ কিলোমিটার এলাকা জুড়ে।  এটি বিখ্যাত সুন্দরী গাছ সহ 400 টিরও বেশি প্রজাতির উদ্ভিদের আবাসস্থল, যা বনটিকে এর নাম দেয়।

★রয়্যাল বেঙ্গল টাইগারস: সুন্দরবন পৃথিবীর একমাত্র জায়গা যেখানে আপনি পৃথিবীর বৃহত্তম বিড়াল প্রজাতি রয়েল বেঙ্গল টাইগার খুঁজে পেতে পারেন।  সুন্দরবনে বাঘের সংখ্যা প্রায় ৪০০।

★অনেক বিপন্ন প্রজাতির বাসস্থান: সুন্দরবন শুধুমাত্র বাঘেরই আবাসস্থল নয় বরং অন্যান্য বিপন্ন প্রজাতি যেমন লবণাক্ত জলের কুমির, ভারতীয় অজগর, ইরাবদি ডলফিন এবং নদী টেরাপিনেরও বাসস্থান।

★ইউনেস্কো ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ সাইট: সুন্দরবন একটি ইউনেস্কো ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ সাইট, যা তার অনন্য প্রাকৃতিক পরিবেশ এবং জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার জন্য স্বীকৃত।

★ বৃহত্তম ব-দ্বীপ অঞ্চল: সুন্দরবন গঙ্গা, ব্রহ্মপুত্র এবং মেঘনা নদীর ব-দ্বীপ অঞ্চলে অবস্থিত।  এটি বিশ্বের বৃহত্তম ব-দ্বীপ অঞ্চলগুলির মধ্যে একটি, এবং এর অনন্য বাস্তুশাস্ত্র স্বাদুপানি এবং লবণাক্ত জলের মিথস্ক্রিয়া দ্বারা আকৃতির।

★ জীববৈচিত্র্যে সমৃদ্ধ: সুন্দরবন বিভিন্ন উদ্ভিদ ও প্রাণীর আবাসস্থল।  অনুমান করা হয় যে বনে ২৬০ প্রজাতির পাখি, ১২০ প্রজাতির মাছ, ৫০ প্রজাতির সরীসৃপ এবং 8 প্রজাতির উভচর প্রাণী রয়েছে।

★ম্যানগ্রোভ ইকোসিস্টেম: সুন্দরবনের ম্যানগ্রোভ ইকোসিস্টেম বিশ্বের অন্যতম উৎপাদনশীল বাস্তুতন্ত্র।  ম্যানগ্রোভ গাছ এবং অন্যান্য গাছপালা উপকূলরেখাকে ভাঙন এবং ঝড়ের ঢেউ থেকে রক্ষা করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

★জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে হুমকি: সুন্দরবন জলবায়ু পরিবর্তন, সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি, তাপমাত্রা বৃদ্ধি এবং আরও ঘন ঘন ঘূর্ণিঝড়ের কারণে হুমকির সম্মুখীন।  বন উজাড়, মাছ ধরা এবং দূষণের মতো মানব কর্মকাণ্ড থেকেও বন হুমকির মুখে।
বাংলাদেশ সুন্দরবন সম্পর্কে অজানা তথ্য

সুন্দরবন হল বঙ্গোপসাগরের ব-দ্বীপ অঞ্চলে অবস্থিত একটি বিস্তীর্ণ ম্যানগ্রোভ বন, যা ভারত এবং বাংলাদেশ ভাগ করে নিয়েছে।  এখানে বাংলাদেশ সুন্দরবন সম্পর্কে কিছু কম জানা তথ্য রয়েছে:

(১)।  ম্যানগ্রোভ বন: বাংলাদেশ সুন্দরবন বিশ্বের বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ বন, প্রায় ১0,000 বর্গ কিলোমিটার এলাকা জুড়ে।

(২)।  রয়েল বেঙ্গল টাইগারদের বাড়ি: সুন্দরবন বিপন্ন রয়েল বেঙ্গল টাইগারের আবাসস্থল, যা বিশ্বের বৃহত্তম বাঘের উপ-প্রজাতিগুলির মধ্যে একটি।  সুন্দরবনে প্রায় ৪০০ বাঘ রয়েছে বলে অনুমান করা হয়।

(৩)।  ইউনেস্কো ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ সাইট: সুন্দরবনকে তার অনন্য জীববৈচিত্র্য এবং পরিবেশগত গুরুত্বের স্বীকৃতিস্বরূপ 1987 সালে ইউনেস্কো ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ সাইট ঘোষণা করা হয়।

(৪)।  জীববৈচিত্র্যের জন্য হুমকি: জলবায়ু পরিবর্তন, বন উজাড় এবং দূষণের কারণে আবাসস্থলের ক্ষতি সহ সুন্দরবন এর জীববৈচিত্র্যের জন্য অনেক হুমকির সম্মুখীন।  রয়েল বেঙ্গল টাইগার বিশেষভাবে ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে, আবাসস্থলের ক্ষতি এবং শিকারের কারণে এর জনসংখ্যা হ্রাস পাচ্ছে।

(৫)।  সমৃদ্ধ সামুদ্রিক জীবন: সুন্দরবন শুধুমাত্র বাঘ এবং অন্যান্য স্থল প্রাণীর আবাসস্থল নয়, এটি একটি সমৃদ্ধ সামুদ্রিক জীবনও রয়েছে।  এটি ইলিশ সহ অনেক প্রজাতির মাছের প্রজনন ক্ষেত্র, যা বাংলাদেশে একটি উপাদেয় হিসাবে বিবেচিত হয়।

(৬)।  অনন্য ইকোসিস্টেম: সুন্দরবন হল একটি অনন্য বাস্তুতন্ত্র যা বঙ্গোপসাগরের নোনা জল এবং গঙ্গা, ব্রহ্মপুত্র এবং মেঘনা নদীর স্বাদু জল দ্বারা প্রভাবিত।  এটি বিভিন্ন প্রজাতির জন্য একটি বৈচিত্র্যময় বাসস্থান তৈরি করে।

(৭)।  ম্যানগ্রোভ মধু: সুন্দরবন তার অনন্য ম্যানগ্রোভ মধুর জন্য পরিচিত, যা স্থানীয় মধু সংগ্রহকারীরা সংগ্রহ করেন।  মধুর ঔষধি গুণ রয়েছে বলে মনে করা হয় এবং স্থানীয় বাজারে এর উচ্চ চাহিদা রয়েছে।

(৮)।  হিন্দু মন্দির: সুন্দরবনে বেশ কিছু হিন্দু মন্দিরও রয়েছে, যেগুলো উৎসবের সময় ভক্তরা পরিদর্শন করেন।  কিছু মন্দির জঙ্গলের গভীরে অবস্থিত এবং শুধুমাত্র নৌকায় যাওয়া যায়।

(৯)।  ঘূর্ণিঝড় এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগ: সুন্দরবন ঘূর্ণিঝড় এবং অন্যান্য প্রাকৃতিক দুর্যোগের ঝুঁকিপূর্ণ, যা বাস্তুতন্ত্র এবং স্থানীয় সম্প্রদায়ের উল্লেখযোগ্য ক্ষতি করতে পারে।  2007 সালে ঘূর্ণিঝড় সিডর দ্বারা এলাকাটি মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল, যা ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি ও প্রাণহানি ঘটায়।

(১০)।  ইকোট্যুরিজম: বাংলাদেশ সরকার সম্প্রতি সুন্দরবনে ইকোট্যুরিজম প্রচার শুরু করেছে, যার লক্ষ্য বনের গুরুত্ব সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং স্থানীয় সম্প্রদায়ের জন্য আয় তৈরি করা।  পর্যটকরা বনের মধ্য দিয়ে নৌকায় ভ্রমণ করতে পারেন, প্রকৃতিতে হাঁটতে পারেন এবং তাদের প্রাকৃতিক আবাসস্থলে বন্যপ্রাণী দেখতে পারেন।.

মঙ্গলবার, ১১ অক্টোবর, ২০২২

সরকারি চাকরি নয় স্বাধীন ভাবে বাঁচতে চাই।

 

সরকারি চাকরি নয় স্বাধীন ভাবে বাঁচতে চাই।

চাকরি নয় স্বাধীন ভাবে বাঁচতে চাই।সে  বড় একটি কাহিনী --সময় থাকলে একটু লেখাটি পরে যান। 

ছোট বেলা থেকে মোটামুটি ভাবেই মানুষ হয়েছিলাম কিন্তু কষ্ট পাইনি বাবা-মা কাজ থেকে। আমারা চার ভাই -বোন জম্মের আগে আমাদের অনেক কষ্টে জীবন 


চালিয়েছে তারা।কিন্তু কষ্ট ভোক আল্লাহ তালা এক রহমতে আমাদের পরিবার উন্নতি হতে লাগলো। বড় ভাই টি ৫ম শ্রেনী পযন্ত পরে আর পরে নাই।


 বাবা অনেক চেষ্টা করে ছিলো কিন্তু হয়নি, আর ছোট দুই বোন আমি মেজে ছেলে। বড় বোনটি ৯ম শ্রেণী পড়া অবস্থায় বিয়ে হয়ে যায়, তার পরে ছোট বোন টি h.s.c পাশ করে তার পরে বিয়ে হয়ে যায়।সব মিলে ভালোই চলছিলো। আমি বি,বি,এ পাস করি এবং বেকার গুরে বেড়াতে থাকি কিছু দিন বড় বোনাইয়ে দোকানে লোক লাগবে আমাকে জোড় করে নিয়ে যায়।তার ফাঁকে ফাঁকে চাকরি আবেদন করছি।


আল্লাহর রহমতে বয়স চলছে,হঠাৎ একদিন একটি মেয়ের সাথে মোবাইলে কথা হয় এই করে অনেক দিন কথা বলছি।পেড়ায় ৮-৯মাস কথা চলছে এক পর্যায় মেয়ে বিয়ে ঠিক হয়ে যাবে তা কথা চলছে। আমার বিষয় টি বাড়ি থেকে আগেই যানে সবাই তার পরে ও বাসায় যানালাম বাবা মা বললো তাহলে মেয়ে আসলে নিয়ে আসো এবং কোট মেরেজ করলে ভালো হয়।


এটি শুনে মেয়ে টি বললাম এই এই কথা চলছে তুমি কবে আসবে। ২ -৩ তিনদিন পরে চলে আসলো এবং বিয়ে হলো।আত্মীয় দাওয়াত দিলাম খাওয়া দাওয়া অনেক ভালো হয়।সম্পূর্ণ আমার নিজের খরচে চালাই সব কিছু। কিন্তু দুঃখের একটি কথা, মা-বাবা ভাই বোন কেউ আমাদের কোন প্ররকার বরন ও কিছু দিলোনা।যাহাহি হো নিজে বিয়ে করেছি তাই কিছু মনে করি নাই। 


তবে মা বাবা বাকি তিন ছেলে -মেয়েকে সব কিছু দিয়েছিলো কোনটায় কমতি রাখে নাই তারা। তার পরে ও আল্লাহর রহমতে আমার বউকে আচ্ছে আচ্ছে সব গুছিয়ে দিয়েছি কোন কমতি রাখি নাই। 

আমার বউকে বললাম মানিয়ে নেওয় আল্লাহর রহমতে সব ঠিক হয়ে যাবে। 

আল্লাহর রহমতে দিন ভালোই চলছিলো। হঠাৎ একদিন আমার বড় মামা ফোন করল,সে বললো মন্ত্রনলায় একটি চাকরি নিয়োগ দিয়েছিল তুমি দরখাস্ত করো।


 আমার বন্ধু চাকরি দিয়েদিবে। তার কথা শুনে মা-বাবা কে বললাম তারা বললো হে চাকরি আবেদন করো টাকা মেনেজ করবানি। 

তাদের ভরসায় আমি এপ্লাই করলাম। আমার নিজের ২-৩ লক্ষ টাকার মেনেজ ছিলো।

হঠাৎ মামা বললো ঢাকা যেতে হবে,তার পরে চললাম গিয়ে অনেকের কাজ পাতির কাজ কম্পিট করলাম। আল্লাহর রহমতে চাকরির ৯০% কমপ্লিট  করে বাড়ি আসলাম।


৬০ হাজার বেশি খরচ হয়েগিয়েছিল সব আমার নিজের টাকাই ছিলো। এখন টাকার মেনেজের সময়। আল্লাহর রহমতে যে চকরি তাহা ১৫ লাখ টাকা ও হবে না তবে আল্লাহ ও নিচে মামার বন্ধু আবেদনে ৭ লক্ষ টাকা চাকরি হবে।এক মাস পরে টাকা দিতে হবে।


হঠাৎ বড় ভাই, বড় বোনের বাড়ি চলে গেলো,সেখানে ছোট বোন কে ও খবর দিলো। সেই খানে বসে তারা মিটিং করলো  

আমাকে চাকরি জন্য টাকা দিলে তাদের কে ও ভাগের ভাগ জমি লিখে দিতে হবে তাদের তিনজনে।


 বাবাকে খবর দিলো তাকে ডেকে বললো, বাবা সেখানে কোন কথা না বলে চলে আসলো। তাহার তো অনেক কথা ছিলো সে তো বলতে পারতো আমার জমি কাকে কি দিবো,না দিবো সেটি আমি বুঝবো,তিনি কোন কথা বলেন নি।

বাড়িতে এসে বাবা মাকে বললো তোমার তিন ছেলে মেয়ে এই কথা বলছে। কথা টা আমি শুনতে পেলাম, তখন মনে মনে ভাবলাম ভাই -বোনূের সবাই কে অনেক ভালবাসি বিপদে আপদে সব আগ ধারায় কিন্তু তারা এ কথা গুলো বলতে পারলো।


অনেক কষ্ট লাগলো তা বাবাকে ডেকে বলাম আমার চাকরির জন্য কোন টাকা মেনেজ করতে হবে না।আমি চাকরি করবো না যা আমার খরচ হয়েছে মনে করবো আমার একটি এক্সিডেন হয়েছে এ বলে কাদতে কাদতে চলে আসলাম।বাবা আর কোন কথা বললেন না মামাক ফোন দিয়ে কথা গুলো বললাম তাকে আর বললাম আমি চাকরি করবো না।চাকরি আমার কপালে ছিলো কিন্তু ভাই -বোন হতে দিলো না এই বলে ফোন কেটে দিলাম।


ভাছতোপ বড় কঠিন ভাই। লেখা পড়া শেষ করে এখন আমি জমিতে কাজ করি।

ভাই জীবনে বাচতে হলে কিছু অথ আয় করুন।নিজের টাকা তাকলে পৃথিবীতে আপনি যাহা বলবেন তাহাই হব্্্্্্্

বাবার আছে কোটি টাকা বেশি  সম্পদের কি হবে কৃষি কাজ ও কৃষান দিয়ে জীবন চালাই, ছোট বেলায় লেখা পড়া না শিখিয়ে জমিতে কাজ করালে ভবিষ্যতে অনেক ভালো থাকতাম ভাই। অনেক কষ্ট হয় তবুও কাজ করি আপনারা আমার অন্য দোয়া করবেন। 

বৃহস্পতিবার, ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২২

দৈনিক ক্রাইম তালাশ সম্পাদক এর একধাপ সফলতার জীবন কাহিনি পড়ুন

 


নিজস্ব প্রতিবেদকঃ বর্তমান সময়ের জনপ্রিয় নিউজ পোট্টাল দৈনিক ক্রাইম তালাশ পত্রিকার প্রকাশক-সম্পাদক মোঃ মাহামুদুল কবির নয়ন যাকে সবাই এক নামেই চিনে!আর এই চিনার পিছনে কারণ হচ্ছে,সে সব সময় মানব সেবা করতে পছন্দ করেন।

সাধারণ মানুষের পাশে সব সময় নিজেকে নিয়োজিত রাখেন,তিনি জন্ম গ্রহণ করেন ১৯৯৬ সালের ১৮ মার্চ বর্ডার গার্ড হাসপাতাল ঢাকাতে।তিনি বর্তমানে খুলনা ঝিনাইদহে বসবাস করেন।তাঁর শিক্ষা জীবন শুরু হয় বিডিআর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মধ্যে দিয়ে এবং শেষ হয় বীর শ্রেষ্ঠ মুন্সি আব্দুর রউফ স্কুল এন্ড কলেজে তার উচ্চ মাধ্যমিকের মধ্যে দিয়ে।তাঁর শিক্ষাগত যোগ্যতা তিনি স্নাতক পাশ করেন।ছোট বেলা থেকেই শখ ছিল সুযোগ পেলে তিনি মানবতার ফেরিওয়ালা হিসেবে কাজ করবেন।সেটাকে বাস্তবায়ন লক্ষেই
দৈনিক ক্রাইম তালাশ পত্রিকার সম্পাদকের হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন তিনি।বর্তমানে তিনি পেশা হিসেবে সাংবাদিকতাকে বেঁচে নিয়েছেন।যেমন কথা তেমনি কাজ করে থাকেন এই মানবতার ফেরিওয়ালা। তাই তো ২০১৩ সালে সাংবাদিকতা পেশায় যোগদান করেন তিনি।শুধু সাংবাদিকতা নয়, পাশাপাশি তিনি বিভিন্ন ফুড এন্ড বেভারেজ কোম্পানিতে এরিয়া ম্যানেজার থেকে ন্যাশনাল ম্যানেজার হিসেবে কাজ করেছেন,২০২০ সালের পর থেকে এবং বর্তমান তিনি মানবসেবা ও নিজের গড়ে তোলা একমাত্র প্রতিষ্ঠান দৈনিক ক্রাইম তালাশ পত্রিকায় আরো বেশি করে সময় দেওয়ার জন্য তিনি আর কোনো কোম্পানিতে কাজ করেন না!ওনার একমাত্র লক্ষ এখন ও উদ্দেশ্য তিনি দৈনিক ক্রাইম তালাশ পত্রিকাকে বিশ্বের একমাত্র পত্রিকা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করবেন।তাঁরা তিন ভাই এক বোন,বড় ভাই ঢাকা ইউনিভার্সিটির ছাত্র ও হু লালা রেষ্টুরেন্ট এর মালিক।এবং বর্তমানে তাঁর বাবা ও মা বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ বিজিবি হাসপাতালে কর্মরত আছেন।মাহমুদুল কবির নয়ন তিনি সুবিধা বঞ্চিত মানবের সহায়তা
ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ও দৈনিক ক্রাইম তালাশ পত্রিকার প্রকাশক ও সম্পাদক হিসেবে কর্মরত আছেন।সেবার ব্রত নিয়ে তিনি এই পেশায় থেকে মানুষের কাজ করে যাচ্ছেন।

রবিবার, ১১ সেপ্টেম্বর, ২০২২

প্রাচীন ইতিহাসের নাগদরজার রাজবাড়ি।

 



দিনাজপুর জেলার এক একটি ইতিহাসের পাতায় রয়েছে ------

চার শ বছরের প্রাচীন মোগল আমলের মধ্যযুগীয় স্থাপত্য শিল্পের এক অনন্য নিদর্শন দিনাজপুরের ঐতিহাসিক রাজবাড়ি। হিন্দু, মুসলিম ও ইংরেজ  এ তিন যুগের স্থাপত্য বৈশিষ্ট্যর বিচিত্র দৃষ্টিনন্দনের সমাবেশ এ রাজবাড়ি টি।এ রাজবাড়ি টিকে আর ও সংস্কার ও পরিচ্ছন্ন সহ নিরাপওার ব্যবস্হা নেওয়া হলে এটি আরও পঢ়টক এবং দশ্নাথীদের পদচারনায় মুখর হবে।

পরবর্তী প্রজন্ম কে সঠিক ইতিহাস জানান দিতে এর রক্ষনাবেক্ষনের পাশাপাশি প্রয়োজন তথ্য সংরক্ষণ ও। উপমহাদেশে বিভাগের পর রাজবংশ উচ্ছেদ হয়।এর ফলে পরিত্যক্ত হয় এ রাজবাড়ি ও। রাজবাড়ি মূল বাড়ি টি ৩০ বিযা জমির ওপর প্রতিষ্ঠাত।


সামন্ত যুগীয় রাজবাড়ি কে জড়িয়ে সত্য মিথ্যা অনেক যটনা যেমন প্রচলিত আছে তেমনি রাজবাড়ির ক্ষেএেও আছে। 


এক সময় ছিল তখন পায়ে জুতা,মাথায় ছাতা এমনকি গায়ে জামা-কাপড় পড়ে সজ্জিত হয় কোনো প্রজার পক্ষে রাজবাড়ী ও গেটের সামনের পথ অতিক্রম করার মতো ধৃষ্টতা ছিল শাস্তি যোগ্য অপরাধ। কেউ এ অপরাধ করলে তার প্রাপ্য ছিল পাইক- পেয়াদার হাতে জুতাপেটা বা লাঠি গুতার পুরস্কার। এ ধরনের অনেক কথা শোনা যায় | ইতিহাস বিদ মেহরাব আলীর লেখা ইতিহাস থেকে জানা যায়,রাজাবাড়ির প্রধান দরজাটির নাম নাগদরজা। এটি কৃষ্ণ পাথরে নিমিত। দরজাটির চৌকাঠের উচ্চতা ৭ ফুট।এ উপমহাদেশে আর কোথাও সপমূতি দিয়ে এ ধরনের অদ্ভুত ভাস্ককযময় দরজা আছে বলে জানা যায়নি।


বতমানে এটি ঢাকা জাতীয় জাদুঘরে সংরক্ষিত আছে। চারিদিকে থেকে সুউচ্চ প্রাচীর যেরা রাজবাড়ির অনেক প্রবেশদ্বার।এর মধ্যে ধমাদেউড়ী,বেলতলীর দেউড়ী,,,,,,,, 

নাট মন্দিরে যাওয়ায় দ্বার,,,,


ঠাকুরবাড়ির দেউড়ী,হাতিশালার দেউড়ী,হীরাবাগ দেউড়ী অন্যতম।

রাজবাড়ীর প্রধানত দুটি অংশ আয়নামহল ও রানিমহল।এ ছাড়া আছে ঠাকুরবাড়ি ও হীরাবাগ এলাকা। 


আয়না মহল দ্বিতল ভবন।এ ভবনের দোতলায় রাজ দরবার,জলসাযর,মিছিলঘর,অতিথি ভবন,সভাকক্ষে ও নিচতলায় রাজা প্রাননাথ ও রাজা রামনাথের আমলে আয়নামহল নিমিত হয়।এ মহলের অধিকাংশ কক্ষ ভগ্নদশা।এ মহলের অধিকাংশ কক্ষ ভগ্নদশা। মূল প্রাসাদসহ বৃহত্তর রাজাবাড়ি প্রায় ১০ একর জমির ওপর প্রতিষ্ঠান। 


এ রাজবাড়িতে ১১ জনের মতো রাজা রাজত্ব করেন।এরা হচ্ছেন-

শুকদেব রামদের,

জয়দেব,

 প্রাননাথ,

রামনাথ,

বৈদানাথ

রাধানাথ,


 গোবিন্দনাথ,


তারকানাথ,


গিরিজিনাথ,


ও জগদীশনাথ

শেষ জগদীশনাথের এক ছেলে ছিলো জলনিনাথ



লেখক- মনিরুল ইসলাম মুন্না। 


প্রাসাদ ষড়যন্ত্রের শিকার হয়ে ১৯৪১ সালে জলনিনাথ প্রান হারান

রাজগদিতে উপবেশন না করলে ও রাজকুমার ছিলো রাজবংশের শেষ উওররাধিকারী।বতমানে রাজবাড়ির ভিতর রাজার আমল থেকে কান্তজিউ মন্দিরে পূজা পাবন চলে আসছে এবং আরেকটি অংশ নিয়মিত দূগাপূজা অনুষ্ঠিত হচ্ছে 

ভগ্নদশা এবং রাজবাড়ি এলাকায় বসত বাড়ি গড়ে ওঠায় সংকুচিত হয়ে আসছে এর পরিধি যা একদিন শুধু ইতিহাসের পাতায় থাকবে।দিনাজপুর সভাপতি বলেন স্থানীয়রা সংস্কার করে পযটন এলাকা হিসাবে গড়ে তুলবে।


লেখক-মোঃমনিরুল ইসলাম মুন্না প্রাচীন ইতিহাসের নাগদরজার রাজবাড়ি।

বৃহস্পতিবার, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২২

বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স বিমানবন্দর যশোর

লক্ষ্মীপুর-রামগঞ্জে বিএনপির বিক্ষোভ সমাবেশ শুরুর আগেই শেষ।



লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি জেলা প্রতিনিদি।ঃ 


লক্ষ্মীপুর জেলার  রামগঞ্জ উপজেলা  বিএনপি এবং সহযোগী সংগঠনের ডাকায় জালানী তৈল,খাদ্য সামগ্রীর মূল্য বৃদ্ধি,বিএনপি নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা,গুম-খুনের প্রতিবাদে বৃহস্পতিবার সকালে বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। বিভিন্ন ইউপি ও পৌরসভার দলীয় নেতা-কর্মীদের বার্তা দেওয়ার পাশাপাশি ব্যানারে সকাল ১০টা বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা লেখা থাকলেও ভাদুরস্থ উপজেলা বিএনপির সভাপতি নাজিম উদ্দিন আহমেদের বাস ভবন চত্তরে সকাল ৭টা সমাবেশ শুরু হয়ে সকাল সাড়ে ৮টা শেষ হয়। বিভিন্ন ইউপি থেকে আগত নেতা-কর্মীরা নানা প্রতিকুলতার মধ্যে সমাবেশস্থলে উপস্থিত হয়ে সমাবেশ শেষ দেখে ক্ষোভ প্রকাশ করে ফিরে যায়। দলীয় কয়েকজন নেতা বলেন,অদক্ষ ও অযোগ্য নেতৃত্বের কারনে পৌর শহরে সমাবেশ করতে পারে নাই। যেই ভাবেই হোক শহর থেকে ৭/৮ কিলোমিটার দুরে অজোপাড়া সভাপতির বাস ভবনে সমাবেশ করলেও  নির্ধারিত সময়ের দেড় ঘন্টা পুর্বেই সমাবেশ শেষ করা হয়। এটা দলের জন্য খুবই Í দুঃখজনক। উপজেলা বিএনপির সভাপতি নাজিম উদ্দিন আহমেদের সভাপতিত্বে সাধারন সম্পাদক আব্দুর রহিম ভিপির এবং সাবেক সাধারন সম্পাদক মাহাবুবুর রহমান বাহার ভিপির উপস্থাপনায় সমাবেশে সরকারকে হুশিয়ারী দিয়ে বক্তব্য রাখেন লক্ষ্মীপুর জেলা বিএনপির সিনিয়র সদস্য  নিজান উদ্দিন ভুইয়া,ঢাকা মহানগর দক্ষিন বিএনপির যুগ্ন আহ্বায়ক হারুনুর রশিদ, পৌর বিএনপির আহবায়ক জাকির মোল্লাহ,উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি ও সাবেক উপজেলা পরিষদেও চেয়ারম্যান মনির আহমেদ তফাদার  প্রমুখ।

রবিবার, ৪ সেপ্টেম্বর, ২০২২

অষ্টম বাংলাদেশ চীন-মৈত্রী সেতুর উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা |



অষ্টম বাংলাদেশ চীন-মৈত্রী সেতুর উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা |


 মোঃরায়হান জোমাদ্দার স্টাফ রিপোর্টার


বাংলাদেশে আবারও যোগাযোগ এক নবদিগন্ত উন্মোচিত হলো |

পিরোজপুরের কচা নদীর ওপর নির্মিত বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিব অষ্টম বাংলাদেশ চীন-মৈত্রী সেতুর উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আজ রোববার (৪ সেপ্টেম্বর)সকালে গণভবন থেকে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে বঙ্গমাতা সেতুর উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী। 


সেতুটি উদ্বোধনে দক্ষিণাঞ্চলের সঙ্গে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের সড়ক যোগাযোগের এক নবদিগন্ত উন্মোচিত হলো। এ অঞ্চলের মানুষের দীর্ঘদিনের স্বপ্ন পূরণ হওয়ায় সেতুটি ঘিরে কচা নদীর দুই তীরের মানুষ উচ্ছ্বাসে ভাসছে। সেতু উদ্বোধনের মধ্য দিয়ে সাধারণ মানুষের ভোগান্তির পরিসমাপ্তি ঘটবে। বাঁচবে ফেরি পারাপারের সময়।


সেতুর প্রকল্প ব্যবস্থাপক প্রকৌশলী মাসুদ মাহামুদ বলেন, পিরোজপুর সদর ও কাউখালী উপজেলার মধ্যবর্তী কচা নদী দিয়ে বরিশাল-খুলনা আঞ্চলিক মহাসড়কটি বিচ্ছিন্ন ছিল। ফেরি পার হতে ৩০ মিনিট লেগে যেত। নদীর স্রোত তীব্র আকার ধারণ করলে সময় আরও বেশি লাগত।


পিরোজপুর জেলার বরিশাল-খুলনা আঞ্চলিক মহাসড়কের বেকুটিয়ায় কচা নদীর ওপর নির্মিত এ সেতু উদ্বোধনের মাধ্যমে দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের কোটি মানুষের আরও একটি স্বপ্ন পূরণ হলো। এর মাধ্যমে বিভাগীয় শহর বরিশালের সঙ্গে বিভাগীয় শহর ও শিল্পনগরী খুলনার সড়ক যোগাযোগে কোনো প্রতিবন্ধকতা থাকছে না। কুয়াকাটা সমুদ্রসৈকত, গভীর সমুদ্রবন্দর পায়রার সঙ্গে দেশের দ্বিতীয় সমুদ্রবন্দর মোংলা ও সর্ববৃহৎ স্থলবন্দর বেনাপোলের সঙ্গে এবং সর্বোপরি পিরোজপুরের সঙ্গে ঢাকার সরাসরি সড়ক যোগাযোগ স্থাপিত হয়েছে।


অনুষ্ঠানে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের এবং বাংলাদেশে চীনের রাষ্ট্রদূত লি জিমিং বক্তব্য দেন। সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সচিব এ বি এম আমিন উল্লাহ নূরী অনুষ্ঠানে একটি পাওয়ার পয়েন্ট পেজেন্টেশন উপস্থাপন করেন। প্রকল্পের ওপর একটি ভিডিও চিত্রও অনুষ্ঠানে প্রদর্শিত হয়।


এ উপলক্ষে বঙ্গমাতা সেতু এলাকায় পশ্চিম ও পূর্ব পাড়ে দুটি সমাবেশের আয়োজন করা হয়। পশ্চিম পাড়ে পিরোজপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম ও পূর্ব পাড়ে সাবেক যোগাযোগ মন্ত্রী পিরোজপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য আনোয়ার হোসেন মঞ্জু উপস্থিত ছিলেন।


২০১৩ সালের ১৯ মার্চ পিরোজপুরের এক জনসভায় কচা নদীর ওপর সেতু নির্মাণের ঘোষণা দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সেতু নির্মাণের প্রস্তুতি সম্পন্ন করে ২০১৮ সালের ১ নভেম্বর বাংলাদেশ-চীন ৮ম মৈত্রী সেতুর নির্মাণ কাজের উদ্বোধন করেন তিনি।


সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তর ৮৯৪ দশমিক ০৮ কোটি টাকা ব্যয়ে ১ হাজার ৪৯৩ মিটার দৈর্ঘ্যের ও ১৩ দশমিক ৪০ মিটার প্রস্থের এই পিসি বক্স গার্ডার সেতুটির নির্মাণ কাজ শেষ করে। চীন সরকার এ সেতু নির্মাণে ৬৫৪ দশমিক ৮০ কোটি টাকা প্রকল্প সাহায্য প্রদান করেছে এবং বাংলাদেশ সরকার ব্যয় করেছে ২৩৯ দশমিক ৮০ কোটি টাকা। চলতি বছরের ডিসেম্বরে এটি শেষ হওয়ার কথা থাকলেও পাঁচ মাস আগেই ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান নির্মাণ কাজ শেষ করে সেতু বিভাগের কাছে গত মাসের ৭ তারিখ হস্তান্তর করেন। সেতুর পূর্ব প্রান্তে নদীর তীরে ২২০ মিটার দীর্ঘ ও ৫৫ মিটার প্রস্থের বিনোদন এলাকা উন্নয়ন করা হয়েছে। এ ছাড়া পূর্ব প্রান্তে অ্যাপ্রোচ সড়ক–সংলগ্ন ৬০ মিটার দীর্ঘ ও ৫ মিটার প্রস্থের বিটুমিনাস সড়ক, অ্যাপ্রোচ সড়কের নিচে ৬০ মিটার দীর্ঘ ও ৫ মিটার প্রস্থের কংক্রিট সড়ক এবং পশ্চিম প্রান্তে ১২০ মিটার দীর্ঘ ও ৩ দশমিক ৫০ মিটার প্রস্থের কংক্রিট সড়ক নির্মাণ করা হয়েছে। ২২০ মিটার নদী শাসনের কাজ করা হয়েছে। চীনের মেজর ব্রিজ রিকনাইসেন্স ও ডিজাইন ইনস্টিটিউট কোম্পানি লিমিটেডের তত্ত্বাবধানে চায়না রেইল ওয়াচ ১৭ ব্যুরো গ্রুপ কোম্পানি লিমিটেড সেতুটি নির্মাণ করে।

শনিবার, ৩ সেপ্টেম্বর, ২০২২

জাতীয়তাবাদী বিএনপির স্বেচ্ছাসেবক দলের আংশিক কেন্দ্রীয় কমিটি ঘোষণা

 


জাতীয়তাবাদী বিএনপির স্বেচ্ছাসেবক দলের আংশিক কেন্দ্রীয় কমিটি ঘোষণা

জাতীয়তাবাদী বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে যানান-----

এস এম জিলানীকে সভাপতি এবং রাজীব আহসানকে সাধারণ সম্পাদক করে স্বেচ্ছাসেবক দলের ৫ সদস্য বিশিষ্ট আংশিক কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে।

রোববার (৪ সেপ্টেম্বর) বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। আংশিক এ কমিটিতে ইয়াছিন আলীকে ১ নম্বর সহসভাপতি, সাইফুল ইসলাম ফিরোজকে ১ নম্বর যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এবং নাজমুল হাসানকে সাংগঠনিক সম্পাদক করা হয়েছে।

কেন্দ্রীয় কমিটির পাশাপাশি সংগঠনটির ঢাকা মহানগর দক্ষিণ ও উত্তর শাখার আংশিক কমিটিও ঘোষণা করা হয়েছে এদিন। তাতে স্বেচ্ছাসেবক দলের ঢাকা মহানগর দক্ষিণ শাখার সভাপতি করা হয়েছে শফিউদ্দিন সেন্টুকে। জাকির হোসেন সাধারণ সম্পাদক এবং ওমর ফারুক সাংগঠনিক সম্পাদক হয়েছেন।

আর ঢাকা মহানগর উত্তর শাখার সভাপতি হয়েছেন মো. আনোয়ার হোসেন। সাধারণ সম্পাদক ও সাংগঠনিক সম্পাদক হয়েছেন যথাক্রমে আজিজুর রহমান মোসাব্বির ও ফরিদ হোসেন।

রবিবার, ১৭ জুলাই, ২০২২

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের শাসনকাল।

 


বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের শাসনকাল ( ১৯৭২-১৯৭৫ ) বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করেন । স্বাধীনতা ঘোষণার প পাকিস্তান সেনাবাহিনী ১৯৭১ সালের ২৬ শে মার্চ প্রথম প্রহরেই বঙ্গবন্ধুকে গ্রেফতার করে ঢাকা থেকে পশ্চি পাকিস্তানে নিয়ে যায় । মুক্তিযুদ্ধের ৯ মাস তিনি পশ্চিম পাকিস্তানের কারাগারে বন্দী ছিলেন । পাকিস্তান সরকা তাঁর বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহের অভিযোগে সামরিক আদালতে বিচারকাজ শুরু করে । প্রহসনের বিচারে তাঁর বিরুে ফাঁসির রায় দেয়া হয় । ১৯৭১ সালের ১৬ ই ডিসেম্বর চূড়ান্ত বিজয় অর্জনের পরেও বঙ্গবন্ধু পাকিস্তানে কারাগারে বন্দী ছিলেন । তিনি বেঁচে আছেন কি - না তাও দেশের মানুষ জানত না । বঙ্গবন্ধুর জন্য উদ্বে উৎকণ্ঠায় নিমজ্জিত ছিল সারা দেশের মানুষ । অধীর অপেক্ষা , কবে আসবেন বাঙালি জাতির মহান নেত অবশেষে ১৯৭২ সালের ১০ ই জানুয়ারি বঙ্গবন্ধু দেশে ফিরে এলেন । বঙ্গবন্ধুর শাসনকালের গুরুত্ব ঘটনা সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে ।


বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন : 

১৯৭২ সালের ১০ ই জানুয়ারি দেশে ফেরার আগে বঙ্গবন্ধুকে পাকিস্তান সরকার বিশেষ বিমানে করে লন্ডন নিয়ে যায় । অতঃপর ব্রিটিশ রাজকীয় কমেট বিমানে দিল্লি হয়ে তিনি ঢাকায় আসেন । ঢাকায় মহান নেতাকে জানানো হয় অভূতপূর্ব অভিনন্দন । ভালোবাসায় সিক্ত হলেন বঙ্গবন্ধু । নিজে কাঁদলেন , জনতাকেও কাঁদালেন । অবিসংবাদিত নেতার প্রতি জনগণের আবেগময় অভিনন্দন ছিল স্বতঃস্ফূর্ত । পুরাতন বিমানবন্দর থেকে রমনা রেসকোর্স ময়দান পর্যন্ত লক্ষ লক্ষ জনতা উপস্থিত হয় প্রিয় নেতাকে একনজর দেখার জন্য । রেসকোর্স ( সোহরাওয়ার্দী উদ্যান ) ময়দানে বঙ্গবন্ধু তাঁর বক্তৃতায় সদ্য স্বাধীন রাষ্ট্রের আশুকরণীয় ও নীতিনির্ধারণী বিষয়ে ও দিকনির্দেশনা প্রদান করেন । যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশ পুনর্গঠন , নবীন রাষ্ট্র হিসেবে বিশ্বের অন্যান্য রাষ্ট্রের স্বীকৃতি এবং বাংলাদেশ রাষ্ট্রের প্রকৃতি সম্পর্কে তিনি স্পষ্ট বক্তব্য রাখেন । তিনি বলেন , ' বাংলাদেশ আদশ রাষ্ট্র হবে। 


মুক্তিযুদ্ধের সূচনালগ্নে গঠিত বাংলাদেশ সরকারের রাষ্ট্রপতি ছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান । বাংলাদেশের সরকার ব্যবস্থার ধরন কী হবে , এই সম্পর্কে তখনো কোনো সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়নি । স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের পরদিনই ১৯৭২ সালের ১১ ই জানুয়ারি বঙ্গবন্ধু মন্ত্রিসভায় দীর্ঘ আলোচনার পর ‘ অস্থায়ী সংবিধান আদেশ ’ জারির মাধ্যমে দেশে সংসদীয় পদ্ধতির সরকারব্যবস্থা প্রবর্তন করেন । ১২ ই জানুয়ারি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান প্রধান বিচারপতি আবু সাদাত মোহাম্মদ সায়েমের নিকট প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ করেন । একই দিনে রাষ্ট্রপতি হিসেবে নিয়োগ লাভ করেন বিচারপতি আবু সাঈদ চৌধুরী । এই ব্যবস্থা সংসদীয় গণতন্ত্রের প্রতি তাঁর গভীর আস্থার পরিচয় বহন করে । ১৯৭২ সালের ১২ ই জানুয়ারি থেকে ১৯৭৫ সালের ১৫ ই আগস্ট পর্যন্ত বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে বাংলাদেশ সরকার পরিচালিত হয় । এই সরকার মাত্র তিন বছর সাত মাস তিন দিন দায়িত্ব পালনের সুযোগ পায় । এই স্বল্পতম সময়ে তিনি পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী কর্তৃক বিধ্বস্ত ও ধ্বংসপ্রাপ্ত বাংলাদেশকে পুনর্গঠন করেন । আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ দেশসমূহ স্বাধীন বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয় । ফলে বহির্বিশ্বে বাংলাদেশের সম্মান ও মর্যাদা বৃদ্ধি পায় ।


উন্নয়ন , পুনর্গঠন ও পুনর্বাসন কার্যক্রম:

 পুনর্বাসন ও পুনর্গঠনের কঠিন দায়িত্ব নিয়ে কাজ শুরু করে সরকার । প্রশাসনিক কাঠামো ভেঙে পড়ায় রেড ক্রস সোসাইটি এবং ত্রাণ ও পুনর্বাসন কমিটির মাধ্যমে জেলা থেকে গ্রাম পর্যায় পর্যন্ত ত্রাণসামগ্রী বিতরণ করা হয় । বছরের শুরুতে পুনর্বাসন কার্যক্রমের জন্য সরকারি হিসাবে মাসিক ভিত্তিক এক চাহিদাপত্র তৈরি করা হয় । এতে প্রতি মাসে খাদ্যের প্রয়োজন ছিল দুই লক্ষ থেকে আড়াই লক্ষ টন , সিমেন্টের চাহিদা। 

ও অন্য অন্য খাদে উন্নয়ন করেন।


১.কৃষি উন্নয়ন। 

২. শিক্ষা উন্নয়ন। 

৩.সড়ক, রেল, ও বিমান যোগাযোগ উন্নয়ন। 


 সংবিধানের বৈশিষ্ট্য :

১৯৭২ - এর সংবিধান ছিল একটি লিখিত দলিল । বাংলা ও ইংরেজি উভয় ভাষায় সংবিধান রচিত হয় । তবে , বাংলাকে মূল ভাষা হিসেবে গ্রহণ করা হয় । এই সংবিধানে একটি প্রস্তাবনা , ১১ টি ভাগ , ১৫৩ টি অনুচ্ছেদ এবং ৪ টি তফসিল ছিল । ২০৩ সংবিধানের প্রথম ভাগে প্রজাতন্ত্রের বৈশিষ্ট্যসমূহ , দ্বিতীয় ভাগে রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতিসমূহ , তৃতীয় ভাগে মৌলিক অধিকারসমূহ , চতুর্থ ভাগে নির্বাহী বিভাগ , পঞ্চম ভাগে জাতীয় সংসদ , ষষ্ঠ ভাগে বিচার বিভাগ , সপ্তম ভাগে নির্বাচন , অষ্টম ভাগে মহাহিসাব নিরীক্ষণ ও নিয়ন্ত্রক , নবম ভাগে বাংলাদেশের কর্মবিভাগ কর্ম কমিশন , দশম ভাগে সংবিধান সংশোধন ও একাদশ ভাগে বিবিধ বিষয়ে আলোচনা করা হয়েছে । ১. সর্বোচ্চ আইন : গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সর্বোচ্চ আইন হলো বাংলাদেশের সংবিধান । তাই সংবিধানের সঙ্গে সামঞ্জস্যহীন কোনো আইন প্রণয়ন করা যাবে না । সংবিধানে ঘোষণা করা হয়েছে প্রজাতন্ত্রের সকল ক্ষমতার মালিক জনগণ । কেবল সংবিধানের অধীনে থেকে জনগণের পক্ষে সে ক্ষমতা প্রয়োগ করা যাবে । গলনীতি হিসেবে চারটি আদর্শকে।

১.সবোচ্চ আইন। 

২.রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি। 

*গনতন্ত্র 

*সমাজতন্ত্র 

*ধমনিরপেক্ষতা

*জাতীয়তাবাদ 

৩.মৌলিক অধিকার। 

৪.এককেন্দ্রিক সরকার। 

৫.মন্ত্রী পরিষদ। 

৬.এক কক্ষ বিশিষ্ট আইন। 

৭.স্বাধীন বিচার বিভাগ। 

৮.সাম্প্রদায়িক রাজনীতি নিষিদ্ধ। 


বাংলাদেশের প্রথম সাধারণ নির্বাচন ঃ

 ১৯৭৩ স্বাধীন বাংলাদেশে প্রথম সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় ১৯৭৩ সালের ৭ ই মার্চ । বাংলাদেশের সংবিধান কার্যকর হওয়ার পর গণপরিষদ ভেঙে দেয়া হয় । স্বাধীনতা লাভের স্বল্প সময়ের মধ্যে বঙ্গবন্ধুর সরকার সাধারণ নির্বাচনের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে গণতন্ত্রের পথে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখে । নির্বাচনে আওয়ামী লীগ নিরঙ্কুশ বিজয় অর্জন করে । জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত মহিলা আসনসহ ৩১৫ টি আসনের মধ্যে আওয়ামী লীগ ৩০৬ , জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল ( জাসদ ) ২ টি , বাংলাদেশ জাতীয় লীগ ১ টি এবং স্বতন্ত্র সদস্যরা ৬ টি আসনে জয়লাভ করেন । বঙ্গবন্ধুর ব্যাপক জনপ্রিয়তা এবং মুক্তিযুদ্ধে নেতৃত্বদানকারী দল আওয়ামী লীগের জনপ্রিয়তায় নির্বাচনী ফলাফল স্বাভাবিক বলেই জনগণ গ্রহণ করে । বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে ১৯৭৩ সালের ১৬ ই মার্চ নতুন মন্ত্রিসভা গঠিত হয় । রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকার পদ্ধতির প্রবর্তন ১৯৭৫ সালের ২৫ শে জানুয়ারি দেশে রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকার পদ্ধতির প্রবর্তন করা হয় । সংবিধানের চতুর্থ সংশোধনীর মাধ্যমে সরকার পদ্ধতিতে পরিবর্তন আনা হয় । এই সংশোধনী অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটে ৫ বছরের জন্য নির্বাচিত হবেন । তিনি ইচ্ছানুযায়ী উপরাষ্ট্রপতি , প্রধানমন্ত্রী , মন্ত্রী এবং অন্যান্য সরকারি বিভাগের কর্মকর্তা নিয়োগ ও বরখাস্ত করতে পারবেন । এছাড়া বাংলাদেশের জন্য জাতীয়ভিত্তিক ও রাষ্ট্রপতিকে প্রদান করা হয় । জাতীয় রাজনৈতিক দল গঠনের পর।

১৯৭৫ সালের ২৪ শে ফেব্রুয়ারী রাষ্ট্রপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান আওয়ামী লীগসহ অন্যান্য রাজনৈতিক দল ভেঙে দিয়ে 'বাংলাদেশ কৃষক শ্রমিক আওয়ামী লীগ নামে একটি জাতীয় রাজনৈতিক দল গঠন করে।এই দলের চেয়ারম্যান হলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও সাধারণ সম্পাদক হলেন  এম.মুনসুর আলী।

রবিবার, ১২ জুন, ২০২২

ঝিনাইদহের হরিনাকুন্ডুতে সড়ক দুর্ঘটনায় বৃদ্ধার মৃত্যু সহ যুবক আহত l

 


ঝিনাইদহের হরিনাকুন্ডুতে সড়ক দুর্ঘটনায় বৃদ্ধার মৃত্যু সহ যুবক আহত

মোঃ বনি (ঝিনাইদহ) জেলা প্রতিনিধি


ঝিনাইদহের হরিনাকুণ্ডুতে দ্রুতগামী মোটরসাইকেল ধাক্কায় মোস্তফা (৬৫) নামের এক বৃদ্ধার মৃত্যু হয়েছে। ১২ জুন (রবিবার) আনুমানিক সকাল ১০,১০ এর সময় হরিনাকুন্ডু উপজেলার ৭নং রঘুনাথপুর ইউনিয়নের কাছারি তোলা গ্রামে এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত মোস্তফা কাছারি তোলা গ্রামের মৃত

ইজ্জত আলীর ছেলে। এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, মোস্তফা তার বাড়ির সামনে পাকা রাস্তার উপর দাড়িয়ে থাকলে,দ্রুতগামী একটি মোটরসাইকেল তাকে ধাক্কা দেওয়ায় রাস্তার উপর ছিটকে পড়ে। এবং শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত পায়। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে হরিনাকুণ্ডু উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসার জন্য নিয়ে আসলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।  এ ব্যাপারে হরিণাকুণ্ডু স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কর্মরত মেডিক্যাল সার্জনের সাথে যোগাযোগ করলে তিনি জানান, রুগীকে সকাল ১০.৪৫ মিনিটে ইমার্জেন্সিতে নিয়ে আসলে তাকে প্রাথমিক ভাবে চিকিৎসা দেওয়া হয়। রুগীর মাথার পেছনে ও নাক কান দিয়ে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ দেখা গিয়েছিলো। রুগীর অবস্থা অবনতি হলে আমরা উন্নত চিকিৎসার জন্য তাদেরকে বিশেষ ভাবে পরামর্শ দিয়েছিলাম। আমরা সার্বক্ষণিক রুগীর চিকিৎসার কাজে নিয়োজিত ছিলাম তবে ১১ঃ১০ ঘটিকায়  চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান বলে জানান ডাঃ খন্দকার বনি আমিনা। আরও বলেন মোটরসাইকেল চালক মোঃ রতন আলী গুরুতর ভাবে আহত হয়েছেন এবং রতন আলীকেউন্নত চিকিৎসার জন্য ঝিনাইদহ সাস্থ্য কমপ্লেক্সে পেরন করা হয়েছে।  হরিণাকুণ্ডু থানার ইন্সপেক্টর তদন্ত রিয়াজুল ইসলাম জানান, এখন পর্যন্ত কোনও মামলা হয়নি।  পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগ দিলে আইনানুগ ব্যাবস্থা গ্রহণ করা হবে।

বাগেরহাট মহিলা কলেজে ১ ঘন্টা কর্মবিরতি ও মানববন্ধন।

 


মোঃশরিফুল ইসলাম আরমান বাগেরহাট জেলা প্রতিনিদি।

গফরগাও সরকারি কলেজে, উত্তেজিত ছাত্ররা কলেজ অধক্ষ্য সহ ৩ জন, শিক্ষক কে মারা হয়,, গফর গাও কলেজের শিক্ষকরা দাবি করে ২১ লক্ষ টাকা উধাও,ভাংচুর করে, , কিন্তু ছাত্ররা উত্তেজিত হওয়ার কারন স্পষ্ট করে নাই,,৷ 

বক্তব্য রাখেন,,

সরকারি মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ ড. রফিকুল ইসলাম

সরকারি প্রফুল্ল চন্দ্র (পি.সি) কলেজ বি,সি,এস, শিক্ষা সমিতির সহ সভাপতি - রফিকুল ইসলাম,, 

জেলা সেক্রেটারি- সাইফুর রহমান ফারুকি,, সহ মহিলা কলেজের শিক্ষক শিক্ষিকা মন্ডলী,,৷

শনিবার, ১১ জুন, ২০২২

নবীর প্রেমে হাজার হাজার জনতার স্লোগানে উত্তাল কুষ্টিয়ার রাজপথ |

এইচ,এম, সাইফ উদ্দীন আল-আজাদ, কুষ্টিয়া।  এইচ,এম, সাইফ উদ্দীন আল-আজাদ, কুষ্টিয়া। 




মহানবী [সঃ] ও মা আয়েশা [রাঃ] এর প্রতি চারিত্রিক অবমাননার প্রতিবাদে উলামায়ে কেরামদের বিক্ষোভ

হযরত মুহাম্মদ (সা.)কে নিয়ে ভারতের ক্ষমতাসীন দল বিজেপির মুখপাত্র নুপুর শর্মা ও দিল্লি শাখার গণমাধ্যম প্রধান নবীন কুমার জিন্দালের কটুক্তির প্রতিবাদে কুষ্টিয়া জেলার বিভিন্ন মসজিদে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ হয়েছে। ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্র মজলিসসহ তৌহিদী জনতার ব্যানারে বিভিন্ন ইসলামী সংগঠন এসব প্রতিবাদ মিছিল ও সমাবেশের আয়োজন করে। এসব সমাবেশে ভারতে মহানবী (সা.)কে কটুক্তির তীব্র নিন্দা জানানো হয়। এসময় ‘বিশ্বনবীর অপমান, সইবে নারে মুসলমান’, ‘ইসলামরে শত্রুরা, হুঁশয়িার সাবধান’ ‘নুপুর র্শমার দুই গালে, জুতা মারো তালে তালে’ ইত্যাদি স্লোগান দেয় হাজার হাজার জনতা।কুষ্টিয়া ইমাম ঐক্য পরিষদের পক্ষ থেকে বা”দ জুমআ শহরের ত্রিমহনী কেন্দ্রীয় বাজার মসজিদের সামনে এক বিরাট বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়,এতে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য প্রদান করেন মাওঃ ইব্রাহীম খলিল মুজাহিদ,বিশেষ অতিথি হিসেবে বিক্ষোভ মিছিলে বক্তব্য প্রদান করেন মুফতী সাইফ উদ্দীন আল-আজাদ, মাওঃ আলআমিন হুসাইন বিন ফারুকী,হাফেজ আব্দুস সামাদ,মাওঃ আব্দুল্লাহ আল মামুন সহ অসংখ্য নবীন ও প্রবীণ ওলামায়ে কেরামগণ।

সমাবেশে মাওঃ ইব্রাহীম খলিল মুজাহিদ বলেন, ভারতের ক্ষমতাসীন দল বিজেপির নেতাদের একের পর এক ইসলাম ও মানবতার মুক্তির দূত মহানবী (সাঃ) এবং তাঁর পরিবার নিয়ে কটুক্তি সারা বিশ্বের মুসলমানদের চরমভাবে ক্ষুব্ধ করেছে।প্রধান অতিথি আরো বলেন, নবীর শানে যারা বেয়াদবি করেছে তাদেরকে গ্রেফতারপূর্বক দৃষ্টান্তমুলক শাস্তি দিতে হবে। নেতৃবৃন্দ ভারতের মোদি সরকারকে হুশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, ভারত থেকে মুসলিম উৎখাতের ষড়যন্ত্র সফল হবে না।

 বিশেষ অতিথি মুফতী সাইফ উদ্দীন আল-আজাদ বলেন, ভারতীয় কিছুসংখ্যক উগ্রবাদী গোষ্ঠী বারবার মুসলিম উম্মাহ, ইসলাম মূল্যবোধ, ইসলামী অনুশাসনের বিরুদ্ধে বারবার বিষোদগার করেছে। তারই ধারাবাহিকতায় ক্ষমতাসীন দলের মূখপাত্র নূপুর শর্মা ও নবীন কুমার জিন্দাল আমাদের আবেগের জায়গা, যাকে আমরা আমাদের প্রানের চেয়েও ও অধিক ভালোবাসি সেই প্রিয় নবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) ও উম্মুল মু’মিনীন হযরত  আয়েশা সিদ্দিকা (রা.) নিয়ে কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য করে বিশ্ব মুসলিমের কলিজায় আঘাত হেনেছে। যা ক্ষমার অযোগ্য।

Fashion

Sports