Breaking
Loading...
Menu
ad970

Videos

মঙ্গলবার, ৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৩

চালকুমড়া চাষের পদ্ধতি | চালকুমড়া কখন রোপন করতে হবে

ad300
Advertisement
OTHORATV24.XYZ

 Cilk now 

আসসালামু আলাইকুম কৃষি সকল বন্ধুরা।আপনাদের সাথে আজ নতুন আর একটি নতুন চাষ সম্পর্কে আলোচনা করবো,,,নিচের লেখা পড়ুন
‌★চালকুমরা চাষের সঠিক পদ্ধতি
★চাল কুমরা চাষের আধুনিক পদ্ধতি।
★চাল কুমরা চাষের আগে আগাচা সঠিক ভাবে পরিষ্কার করা।
★চাল কুমরা কি ভাবে বীজ গজাতে হবে।
★কত দিন পরে বীজ গজানো পরে লাগাতে হবে।
★চাল কুমরা লাগানোর কত দিন পরে সার ব্যবহার করতে হবে
★চাল কুমরা গাছে কতদিন পরে 3 জি কাটিং করতে হবে।
★চাল কুমরা চাষের সময় পানি ব্যবহারের নিয়ম।
★চাল কুমরা চাষের সময় ফুল পরাগায়ন করার সঠিক পদ্ধতি।
★চাল কুমরা গাছে ফল আসলে পোকামাকড় হাত থেকে বাচানোর সঠিক নিয়ম।
★চাল কুমরা গাছে কীটনাশক ওষুধ ব্যবহার নিয়ম।
চাল কুমরা ফলটি আমাদের জাতীয় খাবার বলে থাকি। চাল কুমরা আমাদের নিত্য প্রয়োজনীয় কাজে লেখে আসছে।
আমাদের শরীলের অনেক চাহিদা মেটাছে--প্রতিটি চাল কুমরা রয়েছে - ১০০ গ্রাম চাল কুমড়ায় আছে ;
১৩ কিলো ক্যালরি,
৬.৫ গ্রাম কার্বোহাইড্রেট,
১.৩৬ গ্রাম শর্করা বা চিনি,
০.৫ গ্রাম আঁশ,
০.১ গ্রাম চর্বি ও
১.০ গ্রাম প্রোটিন,
৩৬৯ মাইক্রো গ্রাম ভিটামিন এ,
০.০৫ মিগ্রা থায়ামিন,
০.১১ মিগ্রা রিবোফ্লাভিন,
০.৬ মিগ্রা নায়াসিন,
০.০৬১মিগ্রা ভিটামিন বি৬,
৯.০০ মিগ্রা ভিটামিন সি,
১.০৬ মিগ্রা ভিটামিন ই,
২১ মিগ্রা ফসফরাস,
১.০মিগ্রা সোডিয়াম ,
০.৩২মিগ্রা জিংক ও
৩৪০মিগ্রা পটাশিয়াম।

বিস্তারিত একে একে নিচে ভালো করে বলছি, অবশ্যই মন দিয়ে ভালো করে পরলে চাল কুমরা চাষের A to z  শিখতে পারবেন।

চালকুমরা চাষের সঠিক পদ্ধতি :আমাদের দেশে চাল কুমরা চাষ বতমানে বার মাস হয়ে থাকে।কিছু জিনিস লক্ষ করতে হবে তার ফলে বার মাস ফলন পাওয়া যাবে এবং লাভ জনক ব্যবসা হবে।বিভিন্ন জাতের বীজ আমাদের দেশে পাওয়া যায়, তবে বিভিন্ন সময়ে বলেন বিভিন্ন বীজ পাওয়া যায়।তাহার ফলে চাল কুমরা চাষ সঠিক মিলবে।

চাল কুমরা চাষের আধুনিক পদ্ধতিঃকৃষিকৃষি খাতে এখন অনেক ওপরে চলে এসেছ। আগে বীজ ও চারা নষ্ট হতো কিন্তু কৃষি খাতে এতোটা উন্নতি এনেছে। বাংলাদেশ কৃষি অদিপ্তরে সময় মতো কাজ ও ডিজিটাল পদ্ধতিতে পরামর্শ দিচ্ছে সকল সময়।এখন কৃষি কোন সময় কোন জিনিস প্রয়োজন তাহা সঠিক পদ্ধতি ব্যবহার করতে পারছে।

চাল কুমরা চাষের আগে আগাছা সঠিক ভাবে পরিষ্কার করা:জমিতে আগাছা ঠিক মতোন পর্যবেক্ষণ করতে হবে।চারা রোপন বা বীজ বোপনের সময় আগে পরিস্কার করতে হবে।যাতে করে চারা লাগানো বা বীজ রোপনের ওপর কোন ক্ষতি না হয়। আগাছা থাকলে ঠিক মতোন গাছ বা বীজের ক্ষতি কারন হয়ে ধারায়। নিয়মিত জমি পর্যবেক্ষণ করুন । সেচ ও সার দেবার পর জমিতে নতুন হয়া আসা মাত্র  নিড়িয়ে আগাছা  বাছাই করতে হবে । জমিতে চারা গজানোর ১৫-২০ দিন পর আগাছা দমন করতে হবে। জমিতে গাছ খুব ঘন থাকলে পাতলা করে দিতে হবে।চারা অবস্থা থেকে বড় হয়া পর্যন্ত - ৩ বার সঠিক ভাবে  দিয়ে জমির আগাছা পরিষ্কার করে দিতে হবে।

★চাল কুমরা কি ভাবে বীজ গজাতে হবেঃ
চাল কুমরা বীজ কোন যে কোন স্থান থেকে সংগ্রহ করবেন।কৃষি অফিস বা  বীজ দোকান ধারের কাছ থেকে বীজ আনতে হবে।প্রথমে বীজের প্যাকেটি কাটতে হবে, তাহার পরে বীজটি রোদে রাখতে হবে ১-২ যন্টা।তাহার পরে ঠান্ডা স্থানে ৫-৬ যন্টা রাখতে হবে। বীজটি পরবর্তী তে পানিতে বীজাতে হবে তাহা মিনিমাম ১০- ১২ ঘন্টা মতোন।বীজটি বীজানোর পরে  ওঠিয়ে একটি কাপড় পেছিয়ে ওশনো স্থানে রাখতে হবে, মিনিমা ২-৩ দিন পরে দেখতে পাবেন,।আল্লাহর রহমতে ১০০ % বীজ গজাবে।

কত দিন পরে বীজ গজানো পরে লাগাতে হবেঃ 
বীজ গজানোর পূবে লক্ষ রাখবেন যে গজানো কড়ি টি আসলে আপনি রোপন করতে পারে অথবা পলি ব্যাগ, চারা আধুনিক টেরে আপনি চারা রোপণ করতে পারে।তা ফলে বীজ কম নষ্ট হয়ার সম্ভনা থাকবে।আপনাদের যে রকমের সুবিধা আপনারা সে বাবে ব্যবহার করবেন।

চাল কুমরা লাগানোর কত দিন পরে সার ব্যবহার করতে হবে ঃ
আপনারা যে চাষ করেন না কেনো যত্ন সব চাইতে প্রধান বস্তু।সঠিক ভাবে বীজ রোপন করতে পার। আপনার গাছে ৪-৫ পাতা আসার পরে বা ১৫-২০ দিনের মধ্যে সার ব্যবহার করতে হবে। প্রথম বারে সারের পরিমানটি কম দিতে হবে। যাতে করে গাছের দারন ক্ষমতা রাখতে পারে।অথবা কৃষি অফিসের সাথে পরামর্শ নিতে পারেন।

চাল কুমরা গাছে কতদিন পরে 3 জি কাটিং করতে হবেঃ চাল কুমরা  গাছে রক্ষ রাখবে যে গাছটি সুস্থ ও সতেজ আছে এবং প্রথম বার সার ব্যবহার করার পরে ও ২-৩ ফুট লম্বা হয়ার পরে গাছের আগা কেটে দিতে হবে।তাহার ফলে গাছের প্রতিটির পাতার থেকে টিগরি আসবে প্রচুর পরিমাণের।

চাল কুমরা চাষের সময় পানি ব্যবহারের নিয়ম।ঃ চারা রোপণ শুরু করা থেকে ফল আশা পর্যন্ত পানি সেচ ব্যবহার করতে হবে।সপ্তাহে ১ বার মিনিমা সেচ দিতে হবে, যাতে করে গাছের বাতলা ও যায়গার শক্তি  ধরে রাখার জন্য সেচ ব্যবহার করতে হবে।সঠিক ভাবে সেচ ব্যবহার করলে ফুল ও ফল বেশি পাওয়া যায়।

চাল কুমরা চাষের সময় ফুল পরাগায়ন করার সঠিক পদ্ধতিঃ চাল কুমরা চাষের সঠিক একটি কাজ হলো পরাগায়ন করানো,সব সময় প্রয়োজন হয় না কিন্তু মৌসুমে   চাল কুমরা চাষের ক্ষেএে পরগান করা খুব ধরকার।প্রতি দিন সকালে সূর্য ওঠার আগে পুরুষ ফুল সংগ্রহ করতে হবে।পুরুষ ফুলের মুল পরাগায়নের রেনুটি স্ত্রী ফুল মধ্যে মিলাতে হবে। একটি পুরুষ ফুল একটি মহিলা ফুলে মিশালে ভালো হবে।পরাগায়ন করলে ৯৫ %ফল পাওয়া যাবে।

চাল কুমরা গাছে ফল আসলে পোকামাকড় হাত থেকে বাচানোর সঠিক নিয়মঃ চাল কুমরা চাষের প্রথম লক্ষ রাখতে হবে পোকামাকড় আকরম করা আগেই ওষুধ ব্যবহার করতে হবে।রোগ বুঝতে হবে আর না বুঝতে পারলে কৃষি অফিসার সাথে পরামর্শ করতে হবে এবং নিয়ম মেনে ওষুধ ব্যবহার করতে হবে। তাহার ফলে গাছের ও ফলের কোন ক্ষতি হবে না।

চাল কুমরা গাছে কীটনাশক ওষুধ ব্যবহার নিয়মঃ চারা গাছ বা বড় গাছ যাহাই হোক না কেনোই।আপনারা সব সময় লক্ষ রাখবে কীটনাশক ওষুধ ব্যবহার আগে।সকালে১০-১২ মধ্যে  ওষুধ দিবে আর না হলে বিকেলে ৪-৫ দিকে দিবে,তবে পোকামাকড় ওষুধ টি বিকেলে দিলে সব চাইতে ভালো হবে।

আরও পড়তে ক্লিক করুন

Share This
Previous Post
Next Post

Pellentesque vitae lectus in mauris sollicitudin ornare sit amet eget ligula. Donec pharetra, arcu eu consectetur semper, est nulla sodales risus, vel efficitur orci justo quis tellus. Phasellus sit amet est pharetra

0 Comments:

Fashion

Sports