Breaking
Loading...
Menu
ad970

Videos

শনিবার, ১৯ নভেম্বর, ২০২২

কুমরা চাষের সঠিক পদ্ধতি

ad300
Advertisement

 স্টাফ রিপোর্ট ঃCorrect-method-of-cultivatio-othoratv24.zxy.comn of kumra


Correct method of cultivation of kumra


কুমড়া চাষে আধুনিক পদ্ধতিঃ
গ্রাম বাংলার ঐতিহাসিক একটি চাষ মিষ্টি কুমরা চাষ।এটি মিষ্টি কুমরা বা কুমার নামে পরিচিত। এটি বাংলাদেশ এখন সারা বছরই হয়ে তাকে,
কুমড়া অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি সবজি । এ জাতীয় সবজির কিছু গ্রীষ্মকালীন ও কিছু শীতকালীন জাত আছে যা বাংলাদেশে জন্মায় । আবার কিছু জাত আছে সারা বছরই সংরক্ষণ করে সবজির চাহিদা পূরণ করা যায় । কুমড়া জাতীয় সবজির মধ্যে মিষ্টিকুমড়া, চালকুমড়া ও লাউ প্রধান । আমরা এখন মিষ্টি কুমড়া সবজিগুলো সম্পর্কে জানব ।
যারা নতুন করে চাষ করতে চান তাদের জন্য এই প্রতিবেদন টি খুব গুরুত্বপূর্ণ  বলে মনে করি।

★★ মিষ্টি কুমড়া চাষ★★

মিষ্টি কুমড়ায় প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন 'এ' থাকে । এর ফল কাঁচা ও পাকা উভয় অবস্থায়ই খাওয়া যায়। তবে এর প্রধান ব্যবহার পাকা অবস্থায়। কুমড়ার পাতা ও কচি ডগা খাওয়া যায়। মিষ্টিকুমড়া সচরাচর বৈশাখী, বর্ষাতি ও মাঘী এ তিন শ্রেণিতে বিভক্ত । বতমানে দেশি বীজের চাইতে হাইব্রিড বীজ বপন করে বেপক ফলন পাওয়া যায়,তাই এখন বেশি বেশি চাষ করতেছে।

চাষের সময়:

বৈশাখী কুমড়ার বীজ মাঘ মাস, বর্ষাতি কুমড়ার বীজ বৈশাখ এবং মাঘী কুমড়ার বীজ শ্রাবণ মাসে বপন করার সঠিক সময়।

মাদা তৈরি ও সার প্রয়োগঃ
মিষ্টি কুমরা চাষের আগে মাদা তৈরি করতে হবে,যারা চাষ করতে চান তারা মনোযোগ সহকারে লেখাটি পড়ুন।
মাদার জন্য সাধারণত ৩-৪ মিটার দূরত্বে ৮০-১০০ ঘন সে.মি আকারের গর্ত তৈরি করতে হবে । প্রতি গর্তে গোবর বা কমপোস্ট ৫ কেজি,
ইউরিয়া ১৩০ গ্রাম,
টিএসপি ২০০ গ্রাম,
এমওপি ১৫০ গ্রাম,
জিপসাম ৯০ গ্রাম ও 

দস্তা সার ৫ গ্রাম দিতে হবে। 

ইউরিয়া ছাড়া অন্যান্য সার বীজ বোনার ৮-১০ দিন আগে গর্তের মাটির সাথে মিশিয়ে দিতে হবে । ইউরিয়া দুইভাগে বীজ বোনার ১০ দিন পর প্রথমবার ও ৩৫দিন পর দ্বিতীয়বার উপরি প্রয়োগ করতে হবে । মাদার চারপাশে অগভীর একটি নালা কেটে সার নালার

মাটির সাথে মিশিয়ে দিতে হবে ।


বীজ বপনঃ


পরিচর্যা
মাদা তৈরি হতে ১০-১২ দিন,
পর প্রাত মাদায় ২-৩ টি বীজ মাদার মাঝখানে রোপণ করতে হবে । মাদা তৈরি

আগাছা থাকলে তা পরিষ্কার করে চারা গাছের গোড়ায় কিছুটা মাটি তুলে দিতে হবে । মাঝে মাঝে কটা/ যে কোন যন্ত্র  দিয়ে গাছের গোড়ার মাটি আলগা করে দিতে হবে । 

গোড়ার কাছাকাছি কিছু খড়/ বোন জাতীয় পদার্থ  ১৫-২০ দিন পর বিছিয়ে দিতে হবে । ফল ধরা শুরু করলে ফলের নিচেও খড় বিছিয়ে দিতে হবে । এবং মাচা পদ্ধতি চাষ করতে পারলে সব চাইতে ফলন বেশি পাওয়া যাবে। তবে আমার সামতের মধ্যে যেমন পারেন, বৈশাখী কুমড়া মাটিতে হয়, অন্যান্য কুমড়ার জন্য মাচার ব্যবস্থা কর ভালো হবে । গাছের লতাপাতা বেশি হলে কিছু লতাপাতা ছেঁটে দিতে হবে ।

৩ জি কাটিং ঃ


মিষ্টি কুমরা গাছের ২-৩ ফিট বৃদ্ধি পেলে তখন আপনারা গাছের আগা ১ ইঞ্চি করে কেটে পেলবেন।তার ফলে এক সপ্তাহের মধ্যে দেখতে পারবেন যে, কুমরা গাছের প্রতিটি পাতার খোঁড়া থেকে নতুন কুড়ি আসবে এবং ১০-১৫ দিনের মধ্যে  স্থান বা মাচা গাছে বড়ে যাবে।

পোকা ও রোগ দমনঃ


মিষ্টি কুমরা গাছে  একটি পোকা সব চাইতে সমস্যা করে থাকে সে হলে মাছি পোকা।
কুমড়া জাতীয় গাছের বিভিন্ন পোকার মধ্যে লাল পোকা, কাঁটালে পোকা এবং ফলের মাছি উল্লেখযোগ্য। এ পোকা দমনের জন্য সেভিন ডায়াজিনন প্রয়োগ করা যেতে পারে । আর এ জাতীয় সবজির রোগের মধ্যে পাউডারি মিলডিও, ডাউনি মিলডিও ও এনথ্রাকনোজ প্রধান । দুই সপ্তাহ পর পর ডায়াথেন এম ৪৫. প্রয়োগ করতে হবে ।

ফসল সংগ্রহ ও ফলন

মিষ্টিকুমড়া কচি অবস্থা থেকে শুরু করে পরিপূর্ণ পাকা অবস্থায় খাওয়া যায় । তাই কচি অবস্থা থেকেই ফসল সংগ্রহ শুরু হয় । কুমড়া বেশ পাকিয়ে সংগ্রহ করলে অনেকদিন ঘরে রাখা যায় । শতক প্রতি ফলন ৮০-১০০ কেজি হতে পারে ।

মিষ্টি কুমরা চাষের অনেক লাভ যনক ব্যবসা এটি চাষ করে বেপোক লাভ যনক হতে পারে।


Share This
Previous Post
Next Post

Pellentesque vitae lectus in mauris sollicitudin ornare sit amet eget ligula. Donec pharetra, arcu eu consectetur semper, est nulla sodales risus, vel efficitur orci justo quis tellus. Phasellus sit amet est pharetra

0 Comments:

Fashion

Sports