Breaking
Loading...
Menu
ad970

Videos

মঙ্গলবার, ১০ জানুয়ারি, ২০২৩

কাজী নজরুল ইসলাম এর জীবন কাহিনি।

ad300
Advertisement

 কবির-পরিচিতি-----

কাজী নজরুল ইসলাম এর জীবন কাহিনি।

 

Life story of Kazi Nazrul Islam.




কাজী নজরুল ইসলামের জন্মগ্রহণ তারিখ।
★কাজী নজরুল ইসলামের ডাক নাম কি
★কাজী নজরুল ইসলামের জন্ম কোন যায়গায়।
★কাজী নজরুল ইসলাম কত সালে ঢাকায় আসছে।
★কাজী নজরুল একুশে পদক পেয়েছে।
★কাজী নজরুল ইসলামের মৃত্যুবরণ করে।
★কাজী নজরুল ইসলামের কাব্যগ্রন্থ গুলো।
★কাজী নজরুল ইসলামের উপন্যাস গুলো।
★কাজী নজরুল ইসলামের প্রবন্ধগ্রন্থ গুলো।

  • কাজী নজরুল ইসলাম ১৮৯৯ সালের ২৫ মে (বাংলা ১৩০৬ সালের ১১ জ্যৈষ্ঠ) পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমান র মহকুমার চুরুলিয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর ডাক নাম দুখু মিয়া। তাঁর পিতার নাম কাজী ফকির আহমদ এবং মাতার নাম জাহেদা খাতুন। নজরুল অল্প বয়সেই পিতা-মাতা দুজনকেই হারান। শৈশব থেকে - স্কুলের ধরাবাধা জীবনে কখনোই তিনি আকৃষ্ট হননি। বারো বয়সে তিনি লেটো গানের দলে যোগ দেন পালাগান লেখেন। পরে বর্ধমানে ও ময়মনসিংহের ত্রিশাল থানার দরিরামপুর হাইস্কুলে লেখাপড়া করেন। ১৯১৪ নিত্যসঙ্গী। প্রথম বিশ্বযুদ্ধ শুরু হলে ১৯১৭ সালে ৪৯ নং বাঙালি পল্টনে যোগ দিয়ে করাচি যান। যুদ্ধশেষে নজরুল কলকাতা আসেন ও সাহিত্যসাধনায় মনোনিবেশ করেন। তিনি কিছুদিন মসজিদে ইমামতিও করেন।।
  • সাপ্তাহিক বিজলি পত্রিকার "বিদ্রোহী' কবিতা প্রকাশের পর সাহিত্যক্ষেত্রে তিনি বিদ্রোহী কবি হিসেবে পরিচিত হন। তাঁর লেখায় তিনি বিদেশি শাসক, সামাজিক অবিচার ও অন্যায়-অত্যাচারের বিরুদ্ধে বলিষ্ঠ কণ্ঠে প্রতিবাদ সাহিত্য রচনা কয়েক হাজার গানের রচয়িতা। তিনি বেশ কয়েকটি পত্রিকাও সম্পাদনা করেন। তিনি গজল শেয়াল ও রাগপ্রধান করে খ্যাতি অর্জন করেন। আরবি-ফারসি শব্দের সার্থক ব্যবহার তাঁর কবিতাকে বিশিষ্টতা দান করেছে। তিনি রবীন্দ্রনাথের তৈরি করা পথে না চলে স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট্যে নিজেকে বিকশিত করেছেন। সাহিত্যে এনেছেন সাম্যবাদ ও অন্যায় চেনা গল্প, উপন্যাস, নাটক ও প্রবন্ধ রচনায়ও তিনি কুশলতার পরিচয় দিয়েছেন। সম্পাদক এবং সমালোচক হিসেবেও নজরুল খ্যাতি অর্জন করেছিলেন। তিনি মূলত যৌবনের কবি। যৌবনের ধর্মই হল একদিকে যেমন বিদ্রোহ এবং প্রতিবাদ, অন্যদিকে প্রেম। এ দুটো অনুভূতিরই সূচনা হয় আবেগের প্রাবল্য থেকে। নজরুলের ভাষণ, সম্পাদকীয়, সমালোচনা, প্রবন্ধ, উপন্যাস, ছোটগল্প প্রতিটি ক্ষেত্রই ভাষার কাব্যিক ব্যঞ্জনা এবং বলিষ্ঠতায় পূর্ণ। তিনিদৈনিক নবযুগ, পত্রিকায় সম্পাদকের কাজ করেছেন। মাত্র তেতাল্লিশ বছর বয়সে দুরারোগ্য রোগে আক্রান্ত হয়ে বাকশক্তি হারিয়ে ফেলেন।
  • ১৯৭২ সালে কবিকে ঢাকায় আনা হয় এবং তাঁকে বাংলাদেশের নাগরিকত্ব প্রদান করে জাতীয় কবির মর্যাদায় অভিষিক্ত করা হয়। কবিকে ঢাকা ও রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয় ডিলিট, কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় ‘জন্মতারিণী স্বর্ণপদক, ভারত সরকার ‘পদ্মভূষণ' ও বাংলাদেশ সরকার ‘একুশে পদক' প্রদান করে। ১৯৭৬ সালের ২৯ আগস্ট তিনি মৃত্যুবরণ করেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় মসজিদ প্রাঙ্গণে তাঁকে পূর্ণ রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় সমাহিত করা হয়। নজরুলের প্রধান সাহিত্যকর্ম :
  • কাব্যগ্রন্থ :
  • অগ্নিবীণা (১৯২২),
  • বিষের বাঁশী (১৯২৪),
  • ছায়ানট (১৯২৪),
  • সাম্যবাদী (১৯২৫),
  • সর্বহারা (১৯২৬),
  • সিন্ধু-হিন্দোল (১৯২৭),
  • চক্রবাক (১৯২৯),
  • ফণি-মনসা (১৯২৯),
  • প্রলয়-শিখা (১৯৩০);
  • উপন্যাস :
  • বাধনহারা (১৯২৭),
  • মৃত্যুক্ষুধা (১৯৩০),
  • কুহেলিকা (১৯৩১);
  • গল্পগ্রন্থ : ব্যথার দান (১৯২২), রিক্তের বেদন (১৯২৫), শিউলিমালা (১৯৩১);
  • প্রবন্ধগ্রন্থ :
  • যুগবাণী (১৯২২),
  • রাজবন্দীর জবানবন্দী (১৯২৩),
  • দুর্দিনের যাত্রী (১৯২৬),
  • রুদ্রমঙ্গল (১৯২৬)।
  • ভূমিকা
  • কাজী নজরুল ইসলাম রচিত সাম্যবাদী কবিতাটি আবদুল কাদির সম্পাদিত বাংলা একাডেমি থেকে প্রকাশিত 'নজরুল রচনাবলি'র প্রথম খণ্ড থেকে সংকলিত হয়েছে। ১৯২৫ খ্রিষ্টাব্দে প্রকাশিত 'সাম্যবাদী' কাব্যের অন্তর্ভুক্ত এ কবিতাটি বৈষম্যহীন অসাম্প্রদায়িক মানব সমাজ গঠনের প্রত্যাশায় রচিত হয়েছে। ধর্ম-বর্ণ-গোষ্ঠীর দোহাই দিয়ে মানুষে মানুষে বিভেদকে ভুলে কবি মানবতার মর্মবাণীকে সকলের মাঝে ছড়িয়ে দিতে আহ্বান জানিয়েছেন এই কবিতায় ।

কাজী নজরুল ইসলাম কবিতায় বলেছে -----
গাহি সাম্যের গান-
যেখানে আসিয়া এক হয়ে গেছে সব বাধা-ব্যবধান,
যেখানে মিশেছে হিন্দু-বৌদ্ধ-মুসলিম ক্রিশ্চান।
গাহি সাম্যের গান!
কে তুমি?- পার্সি? জৈন? ইহুদি? সাঁওতাল, ভীল, গারো? কনফুসিয়াস্? চার্বাক- চেলা? বলে যাও, বল আরও !
বন্ধু, যা খুশি হও, পেটে-পিঠে, কাঁধে-মগজে যা-খুশি পুঁথি ও কেতাব বও, কোরান-পুরাণ-বেদ-বেদান্ত-বাইবেল-ত্রিপিটক- জেন্দাবেস্তা-গ্রন্থ-সাহেব পড়ে যাও যত সখ, - কিন্তু কেন এ পণ্ডশ্রম, মগজে হানিছ শূল? দোকানে কেন এ দর-কষাকষি?- পথে ফোটে তাজা ফুল! তোমাতে রয়েছে সকল কেতার সকল কালের জ্ঞান, সকল শাস্ত্র খুঁজে পাবে সখা খুলে দেখ নিজ প্রাণ! তোমাতে রয়েছে সকল ধর্ম, সকল যুগাবতার, তোমার হৃদয় বিশ্ব-দেউল সকলের দেবতার । কেন খুঁজে ফের দেবতা-ঠাকুর মৃত-পুথি-কঙ্কালে? হাসিছেন তিনি অমৃত-হিয়ার নিভৃত অন্তরালে! এইখানে এসে লুটাইয়া পড়ে সকল রাজমুকুট এই হৃদয়ই সে নীলাচল, কাশী, মথুরা, বৃন্দাবন, বুদ্ধ-গয়া এ, জেরুজালেম এ, মদিনা, কাবা-ভবন, মজিদ এই, মন্দির এই, গির্জা এই হৃদয়, এইখানে বসে ঈসা মুসা পেল সত্যের পরিচয়। এই রণ-ভূমে বাঁশির কিশোর গাহিলেন মহা-গীতা, এই মাঠে হলো মেষের রাখাল নবিরা খোদার মিতা। এই হৃদয়ের ধ্যান-গুহা মাঝে বসিয়া শাক্যমুনি

Share This
Previous Post
Next Post

Pellentesque vitae lectus in mauris sollicitudin ornare sit amet eget ligula. Donec pharetra, arcu eu consectetur semper, est nulla sodales risus, vel efficitur orci justo quis tellus. Phasellus sit amet est pharetra

0 Comments:

Fashion

Sports