![]() |
| Advertisement |
- স্টাফ রিপোর্ট ঃ
- ইতিহাস এমন একটি শব্দ যাহা না বলার কোন শব্দ নেই। ১৯৭১ সালে স্বাধীনতা লাভ করি। ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান আমাদের দেশের স্বাধীনতা ঘোষণা দেন । তাই ২৬ মার্চ আমাদের স্বাধীনতা দিবস।
- ★১৯৭১ সালে স্বাধীনতার যোষনা দেন।
- ★১৯৪৭ সালে আমরা ইংরেজ শাসন থেকে মুক্ত হই (শাসন করেছে ২০০ বছর)
- ★পাকিস্তানিরা এ বাংলাদেশ কে শাসন করে কত বছর।
- ★কত লাখ মানুষ শহীদ হয়েছেন ও কত লক্ষ মা-বোন নির্যাতনের শিকার হয়েছেন।
- ★
- ১৯৭১ সালে যুদ্ধ হয়েছে কিন্তু সেই থেকে এই পযন্ত এবং সামনে যতদিন পৃথিবীর থাকবে ততোধিন ইতিহাস থেকেই যাবে,,,বাবা থেকে মা,মার থেকে ছেলে-মেয়ে, তাদের থেকে তাদের নাতিপুতিরা মুক্তি যুদ্ধর খবর চলেই আসবে। আর বাংলাদেশ সরজার এমন একটি দারা করেছেন শিশু ক্লাস থেকেই মুক্তি যুদ্ধর কথা তুলে ধরা হয়েছে। বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ ও স্বাধীনতা সম্পর্কে ধারণা থাকা প্রতিটি নাগরিকের জন্য অবশ্যম্ভাবী
- ক্রিকেট খবর
- শিশুর পারিবারিক গণ্ডি থেকে আনুষ্ঠানিক শিক্ষায় অংশগ্রহণ মূলত শিশুর পরিবার থেকে বৃহত্তর সমাজ-জীবন ও জগতের সাথে রচনা করে অনন্ত সম্ভাবনার এক সেতুবন্ধন। বাংলাদেশে প্রাথমিক শিক্ষা নাগরিক অধিকার এবং এক্ষেত্রে রাষ্ট্রের দায়িত্ব ও অঙ্গীকার আইন ও সংবিধানে সুরক্ষিত করা হয়েছে। যে বয়সে শিশু প্রাথমিক শিক্ষা লাভ করে তা মানুষের জীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ সময়। এ বয়সের অভ্যাস-অনভ্যাস, আগ্রহ-অনাগ্রহ, বিশ্বাস-অবিশ্বাস, চেতনা-মূল্যবোধ, প্রকাশভঙ্গীর অনেক- কিছুই পরিণত বয়স ও বাকি জীবনে বয়ে বেড়ায়। তাই উন্নত এবং অধিক বাসযোগ্য পৃথিবী গড়তে শিশুর প্রারম্ভিক শিক্ষা যথাযথ সংবেদনশীল ও শিশু-বান্ধব হওয়া প্রয়োজন। দেশের মুক্তিযুদ্ধ ও স্বাধীনতা সম্পর্কে ধারণা থাকা প্রতিটি নাগরিকের জন্য অবশ্যম্ভাবী।
- কাজী নজরুল ইসলামের জীবনী
- প্রাথমিক পর্যায়ে শিশুদের বয়স বিবেচনায় এদেশের মানুষের ঐতিহাসিক সংগ্রাম ও স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যুদয় সম্পর্কে প্রাথমিক ধারণা থাকা আবশ্যক। এ ধারণা তাদের স্বদেশপ্রেম শাণিত করবে ও আত্মনির্ভরশীল ও শোষণ বঞ্চনাবিহীন রাষ্ট্র গঠনে উদ্বুদ্ধ করবে। এছাড়াও, আমাদের স্বাধীনতা সংগ্রামের অবিসংবাদিত নেতা মুক্তিযুদ্ধের মহানায়ক জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, জাতীয় চার নেতাসহ মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের বীরত্বগাথা সম্পর্কে শিশুরা প্রাথমিক পর্যায়েই একটি সাধারণ ধারণা গ্রহণ করবে।
- । প্রথিতযশা ও মহিয়সী বাঙালি নারীগণ বিভিন্ন প্রতিবন্ধকতা সত্ত্বেও যুগে যুগে জ্ঞান সংগ্রাম ও শিক্ষার আলোকবর্তিকা ছড়িয়ে দিয়ে হয়েছেন স্মরণীয়। নারী শিক্ষায় বিদ্যমান প্রতিবন্ধকতা দূর করে নারীদের যুগের সাথে তাল মিলিয়ে অগ্রগামী ও অধিকারে অগ্রগণ্য করে তুলবে তাদের সংগ্রামী ইতিহাস।
- আমাদের দেশটি একসময় স্বাধীন ছিলো না। প্রায় ২০০ বছর ইংরেজরা এ দেশ শাসন করেছে। ১৯৪৭ সালে আমরা ইংরেজ শাসন থেকে মুক্ত হই। পরবর্তীকালে ২৪ বছর পাকিস্তানিরা এ দেশ শাসন করে। তখন এ দেশেরl
- নাম ছিলো পূর্ব পাকিস্তান। আমরা ১৯৭১ সালে স্বাধীনতা লাভ করি। ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান আমাদের দেশের স্বাধীনতা ঘোষণা দেন । তাই ২৬ মার্চ আমাদের স্বাধীনতা দিবস। স্বাধীনতা লাভের জন্য বঙ্গবন্ধুর নির্দেশনায় লক্ষ লক্ষ বাঙালি মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করে। দেশের ছাত্র, শ্রমিক, দিনমজুর, কৃষক, পুলিশ, সেনাবাহিনী ও অন্যান্য বাহিনীর বহু সদস্য অংশগ্রহণ করে। এই যুদ্ধ ৯ মাস স্থায়ী হয়। আমরা ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর বিজয় অর্জন করি। ১৬ ডিসেম্বর আমাদের বিজয় দিবস। এ যুদ্ধে আমাদের ৩০ লাখ মানুষ শহীদ হয়েছেন। ২ লক্ষ মা-বোন নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। এটি আমাদের মুক্তির যুদ্ধ। যারা এই যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছেন তাঁরা আমাদের বীর মুক্তিযোদ্ধা। আমাদের স্বাধীন দেশের নাম বাংলাদেশ। আমরা প্রতি বছর আমাদের স্বাধীনতা ও বিজয় দিবস আনন্দের সাথে পালন করি। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান আমাদের জাতির পিতা। আমরা সবাই এ দেশকে খুব ভালোবাসি।
- ১৯৪৭ সালে ব্রিটিশদের জাঁতাকল থেকে মুক্তিলাভ করলেও মুক্তির স্বাদ জোটেনি বাঙালি জাতির কপালে। আবার বন্দী হলো পাকিস্তানি শাসকদের শৃঙ্খলে । তৎকা- লীন সুবিধাভোগী রাজনীতিকরা ইসলামকে ব্যবহার করে ফায়দা লুটলো। কিন্তু ইসলামের নীতি বিন্দুমাত্র গ্রহণ করল না। পাকিস্তানি শাসকবর্গ বাংলাদেশকে শাসনের নামে শোষণ আর বঞ্চনার ক্ষেত্রস্থল হিসেবে বেছে নেয়। অর্থনৈতিক শোষণ, নির্যাতন ও বৈষম্যমূলক আচার ব্যবহার শুরু করে। তার রাজনৈতিক উৎপীড়ন, জুলুম ভাষার প্রশ্নে শুরু করল হঠকারিতা আর একরোখা নীতির বহিঃপ্রকার।
- ১৯৫২ সালে বাংলা ভাষার পরিবর্তে উর্দুকেই তারা পাকিস্তানি রাষ্ট্রভাষা ঘোষনা দেয়। কিন্তু এদেশের দামাল ছাত্ররা তাদের এ ঘোষনায় বিক্ষোভে ফেটে পড়ল। তারা এদেশের আপামর জনসাধারণকে সাথে নিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়ল সংগ্রামে। রাষ্ট্রভাষা বাংলা চাই স্লোগানে তীব্র আন্দোলন গড়ে তোলে তারা। পাকিস্তানি শাসকরা এ আন্দোলন স্তিমিত করার জন্য গুলি চালায় বিদ্রোহী ছাত্রদের উপর।
- ★★পাকিস্তানি হায়েনাদের গুলিতে তখন মাতৃভাষা রক্ষার দাবিতে শহীদ হন সালাম, বরকত, রফিক,জব্বারসহ আরো অনেকেই। বাঙালিরা বিদেশীদের কাছে প্রমাণ করল যে তারা হারতে জানেনা। ভাষার প্রশ্নে বাঙালিরা জিতল ।
- এরপরই পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠীর ভিত নড়বড়ে হয়ে যায় ১৯৫৪ সালের নির্বাচনে যুক্তফ্রন্টের অভূতপূর্ব বিজয় আর মুসলিম লীগের বিপুল বিজয়ের মধ্য দিয়ে। ১৯৬৫ সালে আইয়ুব খান গণতন্ত্রের খোলসে এক প্রহসনের নির্বাচন দিয়ে এদেশের মানুষের রাজনৈতিক অধিকার হরণ করে নেয় আর তখন থেকেই শুরু হয় বাঙালির স্বাধীনতা আদায়ের সংগ্রাম। ১৯৬৬ সালে ঐতিহাসিক ছয় দফা উত্থাপন, ১৯৬৮ সালের আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা, ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থান আর ১৯৭০ সালের সাধারণ নির্বাচন এবং এ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের নিরঙ্কুশ বিজয় অর্জন সত্ত্বেও পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠী টালবাহানা শুরু করে দেয়। তারা আমাদের ন্যায্য অধিকার থেকে বঞ্চিত করতে লাগল। জুলুম, শোষণ, নির্যাতন বাড়িয়েই দিল এবং আমাদের নেতাদের নানাভাবে অপমান, অপদস্থ করতে লাগল । অবশেষে ১৯৭১ সালের ৭ই মার্চ বাঙালির অবিস-ংবাদিত নেতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ঢাকার ঐতিহাসিক রেসকোর্স ময়দানে ঘোষনা দেন- “এবারের সংগ্রাম মুক্তির সংগ্রাম”। তিনি বাঙালি জাতিকে মুক্তির সংগ্রামে ঝাঁপিয়ে পড়ার আহ্বান জানান। সারা বাংলা বিক্ষোভে উত্তাল হয়ে উঠল। শুরু হল তুমুল আন্দোলন। ইয়াহিয়া খান অবস্থা বেগতিক দেখে সংলাপের নামে কালক্ষেপন করে গোপনে পশ্চিম পাকিস্তান থেকে অস্ত্রশস্ত্রসহ বিপুল পরিমাণ সৈন্য এনে ২৫ মার্চ ভয়াল কালো রাতে ভীরু ও কাপুরুষের মত ঘুমন্ত নিরস্ত্র নিরীহ বাঙালিদের উপর ঝাঁপিয়ে পড়ল। সে দিন দিবাগত রাতে পাক হানাদার বাহিনীর হাতে গ্রেফতার হওয়ার পূর্বে একটি বার্তার আকারে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান স্বাধীনতার ঘোষণা জারী করেন ।
- বঙ্গবন্ধুর ঘোষনাটি ছিল, “এটাই হয়তো আমার শেষ বার্তা। আজ থেকে বাংলাদেশ স্বাধীন। বাংলাদেশের জনগণের প্রতি আমার আহ্বান, আপনারা যে যেখানেই থাকুন এবং যার যা কিছু আছে, তা দিয়ে শেষ পর্যন্তl
- দখলদার সেনাবাহিনীকে প্রতিহত করুন। বাংলাদেশের মাটি থেকে পাকিস্তান দখলদার বাহিনীর শেষ সৈনিকটি বিতাড়িত এবং চূড়ান্ত বিজয় অর্জিত না হওয়া পর্যন্ত আপনাদের এ লড়াই চালিয়ে যেতে হবে”।
- রণকুশলী জেনারেল আতাউল গণি ওসমানীর সর্বাধিনায়কত্বে বাংলাদেশকে এগারোটি সেক্টরে ভাগ করা হয়। শুরু হয় প্রশিক্ষণ। এদেশের আপামর ছাত্রজনতা, ইপিআর, পুলিশ, আনসার, কৃষক, শ্রমিক, যুবক, নারী- পুরুষ, সামরিক-বেসামরিক লোকদের নিয়ে গঠিত হয মুক্তিবাহিনী। দিন দিন মুক্তিবাহিনী গঠিত হতে থাকে। পাক বাহিনীর বিরুদ্ধে মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ে তারা। মুক্তিবাহিনী গেরিলা যুদ্ধের রীতি অবলম্বন করে ।
- ১৯৭১ সালে ডিসেম্বর মাসে মুক্তিবাহিনী চরম রুপ ধারণ করে। ডিসেম্বরের ৭ তারিখ থেকে শুরু হয় বাংলার দামাল মুক্তিসেনা আর মিত্রবাহিনীর অদম্য সাহসী অভিযান। শত্রুবাহিনীও সর্বাত্নক ধ্বংসলীলা চালাতে থাকে। তবে বাঙালিদের প্রচন্ড প্রতিরোধে দিশেহারা হয়ে পড়ে শত্রুবাহিনী। নিরুপায় হয়ে অবশেষে পাক হায়েনারা আত্নসমর্পণ করে। ১৯৭১ সালের ১৬ই ডিসেম্বর বিকেল ৫ টায় ঢাকার রেসকোর্স ময়দানে (বর্তমান সোহরাওয়ার্দী উদ্যান ) বাংলাদেশের পক্ষে মিত্রবাহিনীর লে. জে. জগজিৎ সিং অরোরা এবং পাক বাহিনীর পক্ষে জে. নিয়াজী পাকিস্তানের আত্নসমর্পণের দলিলে স্বাক্ষর করেন। আর এরই মাধ্যমে পৃথিবীর মানচিত্রে আমরা বিজয়ী স্বাধীন জাতি হিসেবে অনন্য নজির স্থাপন করলাম। পৃথিবীর ইতিহাসে বাংলাদেশ নামের একটি স্বাধীন রাষ্ট্রের অভ্যুদয় ঘটল ।
- আমার দেশ তেমার দেশ,,,,,
- বাংলাদেশ,,,,, বাংলাদেশ



0 Comments: