Breaking
Loading...
Menu
ad970

Videos

রবিবার, ৮ জানুয়ারি, ২০২৩

বাংলাদেশের প্রথম ওয়ানডের জয় মোহাম্মদ রফিকের সাফল্যের কাঁধে চড়ে | ওয়ানডের প্রথম জয় বাংলাদেশের

ad300
Advertisement

 

বাংলাদেশের প্রথম ওয়ানডের জয় মোহাম্মদ রফিকের সাফল্যের কাঁধে চড়ে | ওয়ানডের প্রথম জয় বাংলাদেশের
বাংলাদেশের প্রথম ওয়ানডের জয় মোহাম্মদ রফিকের সাফল্যের কাঁধে চড়ে | ওয়ানডের প্রথম জয় বাংলাদেশের  


স্টাফ রিপোর্টার-মোঃমনিরুল ইসলাম।

  • ★বাংলাদেশের ওয়ানডেতেই অভিষেক হয়।
  • প্রথম বিশ্বকাপে পাকিস্তান কে হারানো হয় ২০১৭ সালে।
  • ★ফাইনালে কেনিয়াকে হারিয়ে ১৯৯৯ সালের বিশ্বকাপে সরাসরি খেলার টিকিট পায় বাংলাদেশ।
  • ★১৭ মে,১৯৯৮,ওয়ানডে জয়।
  • ★বাংলাদেশ ক্রিকেট দল ১৯৮৬ সালের ৩১ শে মাচ পাকিস্তানের বিপক্ষে ওয়ানডে  খেলার মধ্যে দিয়ে যাএা শুরু করলো।
  • ★ক্যারিয়ারে প্রথম ওপেনিং নেমে রফিক খেললেন ৮৭ বলে ৭৭ রান অবিশ্বাস ইনিংসে।
  • ★রফিকের সাফল্যের কাঁধে চড়ে এসেছিল বাংলাদেশের প্রথম ওয়ানডে জয়।
  • ★ বাংলাদেশের ওয়ানডে অধিনায়ক প্রথম জয় হয় আকরাম খানের নেতৃত্বের থাকা দল।

ক্রিকেট হলো বাঙালির প্রানঃ
আন্তর্জাতিক অঙ্গানে বাংলাদেশ নামটি সবচেয়ে বেশি এখন উচ্চারিত হয় টাইগারদের জয়োল্লাস আর বিজয় গাঁথার  সঙ্গে। আর এই বাংলাদেশ ক্রিকেট যেই জায়গা নিয়ে ভক্তরা সবচেয়ে বেশি গব করেন তা হলো ওয়ানডে ফরম্যাটেই।

কাজী নজরুল ইসলামের জীবনী 

কেননা এই ফরম্যাটের এসেছে বাংলাদেশের সবোচ্চ সাফল্য। একমাত্র ওয়ানডে ফরম্যাটের টেস্ট খেলুড়ে সকল দেশের সাথে আছে জয়ের সুখস্মৃতি। অন্যান্য দুই ফরম্যাটের তুলনায়  শুধু মাএ ওয়ানডেতেই প্রতিষ্ঠিত দল হিসাবে আত্মা প্রকাশ  করতে পেরেছে বাংলাদেশ।
বাংলাদেশের ক্রিকেটের হাত ধরেই পরিচিত আমাদের এই সোনার দেশ।
★বাংলাদেশের ওয়ানডেতেই অভিষেক হয় ১৯৮৬ সালে।তার পর থেকে ক্রিকেটে বদলে গেছে অনেক কিছুই, বদলে গেছে বাংলাদেশের খেলার ধরনও। অভিষেকের ৩৫ বছরে প্রাপ্তির ঝুলিতে জমা হয়েছে অনেক অজন।
★প্রথম বিশ্বকাপে পাকিস্তান কে হারানো থেকে শুরু করে ২০১৭ সালে আইসিসির চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির সেমিফাইনালে এজায়গা করে নেওয়া পযন্ত এমন  অনেক  গৌরবমণ্ডিত সাফল্যের দেখা পেয়েছে টাইগাররা। বাংলাদেশের এমনই কিছু চোখ ধাঁধানো জয়ের স্মৃতিচারণ করবো এই লেখায়।

প্রথমেই আসা যাক বাংলাদেশের ওয়ানডেতে অভিষেক নিয়ে অনেক কথা গল্প।
১৯৮৬ সালের ৩১ শে মাচ পাকিস্তানের বিপক্ষে ওয়ানডে  খেলার মধ্যে দিয়ে যাএা শুরু করলো লাল সবুজের জাসিধারীরা।
বাংলাদেশ ওয়ানডে স্ট্যাটাস ট্রফির পার ১৯৯৭ সালে।এরপর ১৯৯৮ সালের-- ★আইসিসি ট্রফির  বিশ্ব কাপে  ফাইনালে কেনিয়াকে হারিয়ে ১৯৯৯ সালের বিশ্বকাপে সরাসরি খেলার টিকিট পায় বাংলাদেশ। এরপর থেকে আর পিছনে ফিছনে ফিরে তাকাতে হয়নি টাইগারদের।

★১৭ মে,১৯৯৮,ওয়ানডে জয়।
কথায় আছে প্রথম প্রেম যেমন সহজে ভোলা যায় না তেমনি বাংলাদেশের প্রথম ওয়ানডে জয় ভক্তরা ভুলবেন কী করে।
কেমন বহু প্রতীক্ষার পর যে এসেছিল সেই কাঙ্ক্ষিত জয়।১৯৮৬ সালে অভিষেক হলেও প্রথম জয় পেতে বাংলাদেশ ক্রিকেট ভক্তদের অপেক্ষা করতে হয়েছিল ১২ বছর।

১৯৯৮ সালে ভারত আয়োজন করে কোকা-কোলা ট্রায়াঙ্গলার ট্রফি। টুনামেন্ট ভারত সহ বাকি দুই দেশ ছিল বাংলাদেশ ও কেনিয়া। ১৭ই মেহায়দ্রাবাদের লাল বাহাদুর শাস্ত্রি স্টেডিয়ামে মুখোমুখি হয় বাংলাদেশ এবং কেনিয়া। দিবারাত্রি এই ম্যাচে টস জিতে ব্যাটিং এর সিদ্ধান্ত নেন কেনিয়া অধিনায়ক আসিফ করিম।রবি শাহের হাফ সেন্ঞুরি,হিতেশ মোদির ৪০ এবং দিপক চুডাসামার ৩৬ রানেউপর ভর করে স্কোরবোড ২৩৬ রান তুলে কেনিয়া।

অপরদিকে মোহাম্মদ রফিক সহ বাংলাদেশের বোলারদের নিয়ন্ত্রিত বোলিং  এ এক ওভার বাকি থাকতেই গুটিয়ে যায় কেনিয়ার ইনিংস। ৫৬ রান দিয়ে ৩ উইকেট  নেন রফিক। ২ উইকেট করে নেন খালেদ মাহমুদ সুজন এবং এনামুল হক মনি।২৩৬ রান তখন  বাংলাদেশের জন্য বেশ বড় টাগেট।তার মধ্যে ফ্লাডলাইটের নিচে খেলার অভিজ্ঞতা কম। জয় নিয়ে যখন সন্দিহান বাংলাদেশের ড্রেসিং রুম তখনই রফিককে  ওপেনিং  এ নামার  নিদের্শ দিয়ে সবাইকে রীতিমতো চমকে দিলেন কোচ গডন গ্রিনিজ।
কিন্তু তখন কে জানত কোচ গডন গ্রিনিজ এর এই পরিকল্পনা মাস্টার স্ট্রকে পরিনত হবে।
★ক্যারিয়ারে প্রথম ওপেনিং নেমে রফিক খেললেন ৮৭ বলে ৭৭ রান অবিশ্বাস ইনিংসে। আতাহার আলি খানের সঙ্গে  ওপেনিং এ নেমে গড়লেন ১৩৭ রানের অনবদ্য এক জুটি।

প্রথম ওয়ানডে জয়ের নায়ক মোহাম্মদ রফিক।

৮৭ বলে খেলা ৭৭ রানের ইনিংস টি সাজানো ছিলো ১১ টি বাউন্ডারি আর ১ টি ছক্কা। আতহার আলী  খেলেছিলেন ৪৭ রানের ইনিংস। শেষ  পযন্ত  ২ ওভার হাতে রেখে ৬ ইউকেটের সহজ জয় তুলে নেয় আকরাম খানের নেতৃত্বের থাকা বাংলাদেশ। সে দিন  ম্যাচ সেরা পুরস্কার পেয়েছেন মোহাম্মদ রফিক। এভাবেই রফিকের সাফল্যের কাঁধে চড়ে এসেছিল বাংলাদেশের প্রথম ওয়ানডে জয়।

কেননা এই ফরম্যাটের এসেছে বাংলাদেশের সবোচ্চ সাফল্য। একমাত্র ওয়ানডে ফরম্যাটের টেস্ট খেলুড়ে সকল দেশের সাথে আছে জয়ের সুখস্মৃতি। অন্যান্য দুই ফরম্যাটের তুলনায়  শুধু মাএ ওয়ানডেতেই প্রতিষ্ঠিত দল হিসাবে আত্মা প্রকাশ  করতে পেরেছে বাংলাদেশ।

বাংলাদেশের ওয়ানডেতেই অভিষেক হয় ১৯৮৬ সালে।তার পর থেকে ক্রিকেটে বদলে গেছে অনেক কিছুই, বদলে গেছে বাংলাদেশের খেলার ধরনও। অভিষেকের ৩৫ বছরে প্রাপ্তির ঝুলিতে জমা হয়েছে অনেক অজন।প্রথম বিশ্বকাপে পাকিস্তান কে হারানো থেকে শুরু করে ২০১৭ সালে আইসিসির চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির সেমিফাইনালে এজায়গা করে নেওয়া পযন্ত এমন  অনেক  গৌরবমণ্ডিত সাফল্যের দেখা পেয়েছে টাইগাররা। বাংলাদেশের এমনই কিছু চোখ ধাঁধানো জয়ের স্মৃতিচারণ করবো এই লেখায়।

প্রথমেই আসা যাক বাংলাদেশের ওয়ানডেতে অভিষেক নিয়ে।১৯৮৬ সালের ৩১ শে মাচ পাকিস্তানের বিপক্ষে ওয়ানডে  খেলার মধ্যে দিয়ে যাএা শুরু করলো লাল সবুজের জাসিধারীরা।
বাংলাদেশ ওয়ানডে স্ট্যাটাস ট্রফির পার ১৯৯৭ সালে।এরপর ১৯৯৮ সালের আইসিসি ট্রফির  বিশ্ব কাপে  ফাইনালে কেনিয়াকে হারিয়ে ১৯৯৯ সালের বিশ্বকাপে সরাসরি খেলার টিকিট পায় বাংলাদেশ। এরপর থেকে আর পিছনে ফিছনে ফিরে তাকাতে হয়নি টাইগারদের।

১৭ মে,১৯৯৮,ওয়ানডে জয়।
কথায় আছে প্রথম প্রেম যেমন সহজে ভোলা যায় না তেমনি বাংলাদেশের প্রথম ওয়ানডে জয় ভক্তরা ভুলবেন কী করে।
কেমন বহু প্রতীক্ষার পর যে এসেছিল সেই কাঙ্ক্ষিত জয়।১৯৮৬ সালে অভিষেক হলেও প্রথম জয় পেতে বাংলাদেশ ক্রিকেট ভক্তদের অপেক্ষা করতে হয়েছিল ১২ বছর।

১৯৯৮ সালে ভারত আয়োজন করে কোকা-কোলা ট্রায়াঙ্গলার ট্রফি। টুনামেন্ট ভারত সহ বাকি দুই দেশ ছিল বাংলাদেশ ও কেনিয়া। ১৭ই মেহায়দ্রাবাদের লাল বাহাদুর শাস্ত্রি স্টেডিয়ামে মুখোমুখি হয় বাংলাদেশ এবং কেনিয়া। দিবারাত্রি এই ম্যাচে টস জিতে ব্যাটিং এর সিদ্ধান্ত নেন কেনিয়া অধিনায়ক আসিফ করিম।রবি শাহের হাফ সেন্ঞুরি,হিতেশ মোদির ৪০ এবং দিপক চুডাসামার ৩৬ রানেউপর ভর করে স্কোরবোড ২৩৬ রান তুলে কেনিয়া।

অপরদিকে মোহাম্মদ রফিক সহ বাংলাদেশের বোলারদের নিয়ন্ত্রিত বোলিং  এ এক ওভার বাকি থাকতেই গুটিয়ে যায় কেনিয়ার ইনিংস। ৫৬ রান দিয়ে ৩ উইকেট  নেন রফিক। ২ উইকেট করে নেন খালেদ মাহমুদ সুজন এবং এনামুল হক মনি।২৩৬ রান তখন  বাংলাদেশের জন্য বেশ বড় টাগেট।তার মধ্যে ফ্লাডলাইটের নিচে খেলার অভিজ্ঞতা কম। জয় নিয়ে যখন সন্দিহান বাংলাদেশের ড্রেসিং রুম তখনই রফিককে  ওপেনিং  এ নামার  নিদের্শ দিয়ে সবাইকে রীতিমতো চমকে দিলেন কোচ গডন গ্রিনিজ।
কিন্তু তখন কে জানত কোচ গডন গ্রিনিজ এর এই পরিকল্পনা মাস্টার স্ট্রকে পরিনত হবে।ক্যারিয়ারে প্রথম ওপেনিং নেমে রফিক খেললেন ৮৭ বলে ৭৭ রান অবিশ্বাস ইনিংসে। আতাহার আলি খানের সঙ্গে  ওপেনিং এ নেমে গড়লেন ১৩৭ রানের অনবদ্য এক জুটি।

প্রথম ওয়ানডে জয়ের নায়ক মোহাম্মদ রফিক।
★ক্যারিয়ারে প্রথম ওপেনিং নেমে রফিক খেললেন ৮৭ বলে ৭৭ রান অবিশ্বাস ইনিংসে
৮৭ বলে খেলা ৭৭ রানের ইনিংস টি সাজানো ছিলো ১১ টি বাউন্ডারি আর ১ টি ছক্কা। আতহার আলী  খেলেছিলেন ৪৭ রানের ইনিংস। শেষ  পযন্ত  ২ ওভার হাতে রেখে ৬ ইউকেটের সহজ জয় তুলে নেয় আকরাম খানের নেতৃত্বের থাকা বাংলাদেশ। সে দিন  ম্যাচ সেরা পুরস্কার পেয়েছেন মোহাম্মদ রফিক। এভাবেই রফিকের সাফল্যের কাঁধে চড়ে এসেছিল বাংলাদেশের প্রথম ওয়ানডে জয়।

Share This
Previous Post
Next Post

Pellentesque vitae lectus in mauris sollicitudin ornare sit amet eget ligula. Donec pharetra, arcu eu consectetur semper, est nulla sodales risus, vel efficitur orci justo quis tellus. Phasellus sit amet est pharetra

0 Comments:

Fashion

Sports