Breaking
Loading...
Menu
ad970

Videos

রবিবার, ২৭ অক্টোবর, ২০২৪

ষড়যন্ত্র তত্ত্ব, হুমকি ও হামলা: মার্কিন নির্বাচনের নতুন বাস্তবতা

ad300
Advertisement



 সিন্ডি এলগান একজন নির্বাচনী কর্মকর্তা। যুক্তরা


ষ্ট্রের নেভাদা অঙ্গরাজ্যের এক কোণে ছোট একটি কেন্দ্রে দুই দশক ধরে নির্বাচনী দায়িত্ব পালন করে চলেছেন। দীর্ঘ এতটা সময়ে তাঁর ওপর প্রতিবেশী ভোটারদের আস্থার কোনো ঘাটতি ছিল না। কিন্তু দৃশ্য পাল্টে গেছে। এখন সেই প্রতিবেশীরাই মনে করছেন, যুক্তরাষ্ট্রে গত প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ডোনাল্ড ট্রাম্পের ‘জয় কেড়ে নেওয়ার’ ষড়যন্ত্রের তিনিও একটি অংশ।






২০২০ সালে অনুষ্ঠিত ওই নির্বাচনে নেভাদার এসমেরালদা কাউন্টিতে গণনা করা ভোটের ৮২ শতাংশ gপেয়েছিল ট্রাম্পের রিপাবলিকান পার্টি। যুক্তরাষ্ট্রে যেসব কাউন্টিতে খুবই স্বল্পসংখ্যক মানুষের বসবাস, এটি সেসবের একটি।

এলগানের ওপর একসময় আস্থা থাকা প্রতিবেশীদের একজন মেরি জেইন জাকাস। অবসরপ্রাপ্ত এই স্কুলশিক্ষক বলছিলেন, ‘২০২০ সালের নির্বাচনী ফলাফল আমি বিশ্বাস করি না।রক্ষণশীলদের (রিপাবলিকান পার্টি) তরফে মাঝেমধ্যেই সামনে আনা এক ষড়যন্ত্র তত্ত্বের সঙ্গে সুর মিলিয়ে মেরি জেইন বলেন, ‘সমস্যা হলো, ভোট গননা ক্ষেত্রে ব্যালট পেপারের পরিবর্তে ভোটিং মেশিনের ব্যবহার।’এ নিয়ে (নির্বাচনী প্রক্রিয়া) জাতীয় পর্যায়ে হইচই হওয়ার বাইরে গোল্ডফিল্ডের মতো ছোট ছোট কমিউনিটিতেও যেভাবে প্রশ্ন উঠছে, তা অনাকাঙ্ক্ষিত বলে মন্তব্য করেন ক্লেয়ার উডাল। তিনি বলেন, হুমকি, হয়রানি ও হামলার শিকার হয়ে অনেক নির্বাচনী কর্মকর্তা তাঁদের দায়িত্ব থেকে সরে গেছেন।


ক্লেয়ার উডাল বলেন, ‘আমরা বিভিন্ন ধরনের প্রশ্ন উঠতে দেখছি, বিশেষ করে নির্বাচনী প্রক্রিয়া নিয়ে।’

এ নিয়ে (নির্বাচনী প্রক্রিয়া) জাতীয় পর্যায়ে হইচই হওয়ার বাইরে গোল্ডফিল্ডের মতো ছোট ছোট কমিউনিটিতেও যেভাবে প্রশ্ন উঠছে, তা অনাকাঙ্ক্ষিত বলে মন্তব্য করেন ক্লেয়ার উডাল। তিনি বলেন, হুমকি, হয়রানি ও হামলার শিকার হয়ে অনেক নির্বাচনী কর্মকর্তা তাঁদের দায়িত্ব থেকে সরে গেছেন।

হুমকি, হয়রানি ও হামলায় দায়িত্ব থেকে সরে যাওয়ার এমন প্রবণতা স্থানীয় নির্বাচনী কর্মকর্তাদের মধ্যেই বেশি, বিশেষ করে অ্যারিজোনার মতো অঙ্গরাজ্যগুলোতে। এসব অঙ্গরাজ্যে প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে প্রার্থীদের মধ্যে সচরাচর হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হয়ে থাকে। যেমন ইস্যু ওয়ানের এক প্রতিবেদন অনুযায়ী, অ্যারিজোনায় গত নির্বাচনে মাত্র শূন্য দশমিক ৩ শতাংশ পয়েন্ট ও নেভাদায় ২ দশমিক ৪ শতাংশ পয়েন্টে ট্রাম্পকে হারিয়ে জয়ী হন বাইডেন।







নির্বাচনী কর্মকর্তাদের হুমকি


নেভাদার সাবেক কয়েক নির্বাচনী কর্মকর্তার সঙ্গে যোগাযোগ করেছে এএফপি। তবে তাঁরা নাম প্রকাশ করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন।

এমনই একজন সাবেক কর্মকর্তা বলেন, ‘আমি আমার পরিবারকে (নিপীড়নের শিকার হওয়ার আশঙ্কায়) আবার প্রকাশ্যে আনতে চাই না।’

হুমকি ও হামলার কারণে দায়িত্ব থেকে সরে যাওয়ার প্রবণতা স্থানীয় নির্বাচনী কর্মকর্তাদের মধ্যেই বেশি, বিশেষ করে অ্যারিজোনার মতো অঙ্গরাজ্যগুলোতে। এসব অঙ্গরাজ্যে প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে প্রার্থীদের মধ্যে সচরাচর হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হয়ে থাকে। যেমন ইস্যু ওয়ানের এক প্রতিবেদন অনুযায়ী, অ্যারিজোনায় গত নির্বাচনে মাত্র শূন্য দশমিক ৩ শতাংশ পয়েন্ট ও নেভাদায় ২ দশমিক ৪ শতাংশ পয়েন্টে ট্রাম্পকে হারিয়ে জয়ী হন বাইডেন।


ক্ষমতাসীন ডেমোক্রেটিক পার্টির প্রার্থী কমলা হ্যারিস




নির্দলীয় ‘ইলেকশনস অ্যান্ড ভোটিং ইনফরমেশন সেন্টার’-এর এক জরিপ অনুযায়ী, ২০২০ থেকে ২০২২ সালের মধ্যে নির্বাচনী কর্মকর্তাদের এক-চতুর্থাংশ হয় নির্যাতন, নয় হুমকির শিকার হয়েছেন বলে জানিয়েছেন।



নভেম্বরের নির্বাচনে জিততে জোর প্রচার চালাচ্ছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প
নভেম্বরের নির্বাচনে জিততে জোর প্রচার চালাচ্ছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প
Share This
Previous Post
Next Post

Pellentesque vitae lectus in mauris sollicitudin ornare sit amet eget ligula. Donec pharetra, arcu eu consectetur semper, est nulla sodales risus, vel efficitur orci justo quis tellus. Phasellus sit amet est pharetra

0 Comments:

Fashion

Sports